রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মানান্ন জানান, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর চলবে আশ্রয় কেন্দ্র। এরপরই জেলা প্রশাসন থেকে আশ্রয় কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ৩১২ পরিবারের প্রতি পরিবারকে ২ বান্ডেল টিন, ৩০ কেজি করে দুই মাস পর্যন্ত চাল ও কিছু নগদ অর্থ দিয়ে ঈদের পরেই আশ্রয় কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সাংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু সাহেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ অপরাধ মো. সাফিউল সারোয়ার।
তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় ৮০০ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। তারা অনেকেই রাতে থাকেন না, তবে খাবারের সময় চলে আসেন। আর প্রতিজনের জন্য প্রতিদিন ৮০ টাকা করে খরচ হয়। এতে প্রতিদিন ৬৪ হাজার টাকার প্রয়োজন হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মানান্ন জানান, বর্তমানে আমাদের কাছে ২৬ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা, ৬২৪ বান্ডেল টিন এবং ইউএনডিপি থেকে প্রতিবারের জন্য ১৫ হাজার টাকা দেয়ার কথা রয়েছে। নবী ড্রাইভারের পরিবারের ছয়জন পাহাড় ধসে মৃত্যু বরণ করেন। তার পরিবারের জন্য তার ছেলেকে একটি সিএনজি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
লংগদু বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মানান্ন বলেন, লংগদু ক্ষতিগ্রস্ত ২১২টি পরিবারকে জেলা প্রশাসন থেকে প্রতি পরিবারকে ছয় হাজার করে টাকা, ২ বান্ডেল টিন, ৩০ কেজি চাল ও দুটি করে কম্বল দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ন-২ প্রকল্প থেকে প্রতি পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে মোট ১১ কোটি টাকা লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন প্রবল বর্ষণে ১২০ জনের মতো মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এতে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৯ হাজার ৫০০শত, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ২৩১টি।

২ Comments
হাতে পাওয়ার সাথেসাথেই ধন্যবাদ,সাধুবাদ জানাবো অগ্রিম বা বকেয়া থাকবেনা।
নবী হোসেনের পরিবারকে মিউচুয়াল টাস্ট ব্যাংকের পক্ষথেকে সিএনজি দিয়েছে।জেলাপশাসকের পক্ষথে নয়।এই সিএনজি এখন গ্যারেজের মধো সীমাবদ্ধ রাংগামাটি চালাতে পারছেনা।