‘ব্যস্ত জীবনে অবকাশের একদিন’এই স্লোগানকে সামনে রেখে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে সাংবাদিক সম্মেলন ২০১৮ পালন করেছে কর্মরত সাংবাদিকরা। শনিবার রাঙামাটি জেলার বালুখালি কৃষি ফার্মে পিকনিকের আয়োজন করা হয়। এতে সাংবাদিকরা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
রাঙামাটি জেলা প্রেসক্লাব, রাঙামাটি রিপোর্টাস ইউনিটি, রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়ন ও রাঙামাটি সাংবাদিক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
দিনটির শুরুতে শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় থেকে শহরের শহীদ মিনার এলাকার পর্যটন অবতরণ ঘাট থেকে লঞ্চের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। পিকনিক স্পট বালুখালি কৃষি ফার্মে লঞ্চটি পৌঁছায় সকাল সাড়ে ১০ টায়।
পিকনিক স্পটে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য আলাদা আলাদা গেমের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া সাংষ্কৃতিক অনুষ্টান ও র্যাফেল ড্র এর মধ্যে দিয়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওটে পিকনিক স্পট। সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন রাঙামাটির স্থানীয় সংগীত শিল্পী শেখর মল্লিক, তিশা দেওয়ান ও সাংবাদিকরা। কমতি ছিলো না শিশুদের নৃত্য, গান, কবিতা পাঠ ও। সন্ধ্যায় আগ মুহুর্তে পুরষ্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে আয়োজনটির সমাপ্তি ঘটে।
কর্মরত সাংবাদিকদের উৎসাহ দিতে দুপুরের দিকে পিকনিক স্পটে উপস্থিত হন রাঙামাটি জেলা পার্বত্য পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, স্মৃতি বিকাশ ত্রিপুরা, অমিত চাকমা রাজু, রেমলিয়ানা পাংখোয়া।
এসময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা বলেন, ‘সাংবাদিক হলো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সব সময় সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকেন। পরিবার পরিজন তাদের এই আয়োজনে আমি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করছি। আমি আগেও সাংবাদিক পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।’
এতে জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, জেলা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান রাজন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সোলায়মান, সাধারণ সম্পাদক হিমেল চাকমা, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি নন্দন দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক মিলটন বাহাদুরসহ বিভিন্ন অনলাইন, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল বলেন, ‘সারা বছর সাংবাদিকররা পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তাই সাংবাদিকদের ব্যস্ত জীবনের অবকাশের জন্য মনোমুখরভাবে দিনটির আয়োজন করেছি। আমরা এই পর্যন্ত তিনবার আয়োজনটি করতে পেরেছি। আমরা এই আয়োজনটি প্রতি বছর করার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।’

৫ Comments
ওমা রাঙামটিতে কোনো সাংবাদিক আছে নাকি ? সাংবাদিক কি শুধুই দালালি, লেজুবৃত্তি,চাঁদাবাজি করার জন্য নাকি সঠিক সংবাদ সংগ্রহের জন্য বুঝলাম না। ধর্ষিত মারমা মেয়েদের নিয়ে তুলকালাম কান্ড হয়ে যাচ্ছে অথচ রাঙামাটির স্থানীয় সাংবাদিক নামের প্রানীগুলো ব্যস্থ আছে সেনা আর সেটেলারদের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালনে। ফেসবুকে যা মাতামাতি হচ্ছে তা শুধু আদিবাসী ছেলে মেয়েদের মধ্যে তাদের মুখোমুখি দাড়িয়ে আছে সেনা, সেটেলার আর সাংবাদিকরা। বাহ কি সুন্দর দায়বদ্ধতা পালন। এগিয়ে যাও সাংঘাতিক ভাইয়েরা।
nyc
সাংবাদিক ভাইদের আরো তৎপর হতে হবে। উপজাতি সন্ত্রাসী দ্বারা নিরীহ মানুষের উপর নির্যাতন, চাঁদবাজী, খুন, গুম, অবৈধ অস্ত্রধারী দের কার্যক্রম খুব দ্রুত গনমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।
Hmm valoi blecho choto bhai upojati sontrasi, Awami league chadabaj, tenderbaj der karjakram gulo rukhe darate hbe…”!!!
আওয়ামীলীগের সাথে চুক্তি করার সময় আওয়ামীলীগকে ভালো লাগছে তখন আওয়ামীলীগ জুম্মদের কাছে দেবতার মত ছিলো। এখন কেনো আওয়ামীলীগ জুম্মদের কাছে জমদুদ হয়ে গেলো? জুম্মদের দেশ বিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে আওয়ামীলীগ খারাপ তাই না?