প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর চার বছর পর রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিস্বত্ত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ভূমিস্বত্ত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ভূমিস্বত্ত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান। এতে উপস্থিত ছিলেন রাঙামটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, রাঙামাটির পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, ময়মসসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন ড. মানিক লাল চাকমা, মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান, শিক্ষাবিদ অঞ্জুলিকা খীসা। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে একে দেওয়ান, প্রবীণ সাংবাদিক সুনীল কান্তি দেসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা আশা করছি আগামী ২০১৯ সনের শেষ দিকে ভবনে কিছু অংশে একাডেমির কাজ শুরু করা আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ জটিলতা শেষে ভূমিগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ভূমিস্বত্ত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ রাঙাপানির ঝগড়াবিল মৌজার বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে নাম ফলক স্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু করলেও দীর্ঘ জটিলতা শেষে ও পার্বত্যাঞ্চলের আঞ্চলিক দলগুলোর বাধা সত্ত্বেও ২০১৫ সালে শহরের একটি বিদ্যালয়ে দুইটি শ্রেণিকক্ষ নিয়ে শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি ব্যাচে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি রয়েছে।

১৩ Comments
কোন জায়গায় জমি পেল।
valo
Durgati dur holo.
তার মানে মানে আমরা “রুয়েট” পাচ্ছি!!!
Great. What about Pondit Behar Bissobidhaloy ?
Goodwish.
Md Jahirul Islam
Esrat Eliza 😉
তাইলে ? পড়ি পড়ি ?
accha accha ??
? ?
কোন এলাকায় জায়গা পেলো?
very good…..Rangamati kon area ai Institute ? bolben keo ?