রাঙামাটি জেলা সদর থেকে বরকল উপজেলায় ‘স্টাফ বোট’ নামে নৌকা-বোট চলাচল বন্ধ না হলে আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে রাঙামাটি জেলায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক ও নৌপথে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাঙামাটি জেলা সড়ক ও নৌ-পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিজার্ভ বাজারস্থ সমিতি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মালিক-শ্রমিক নেতারা এই হুঁশিয়ারি দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রতিদিন নিয়ম অনুযায়ী রাঙামাটি থেকে উপজেলাগুলোতে নির্ধারিত লঞ্চ-বোট চলাচল করে। কিন্তু এসব বোট-লঞ্চ ছাড়ার আগেই সমতাঘাট থেকে স্টাফ বোট নামে একটি বোট ছাড়ে, যাতে করে সরকারি স্টাফ ছাড়াও সাধারণ যাত্রীদের পরিবহন করা হয়। এতে করে বোটÑলঞ্চের মালিক-শ্রমিকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। একই সাথে সরকারও মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার এই বিষয়ে অভিযোগ করার পরেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অবিলম্বে অবৈধ এই বোট চলাচল বন্ধ না করলে আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে রাঙামাটি জেলায় সড়ক ও নৌ-পথে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করা হবে বলে জানান নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিকের প্রশ্নে জবাবে রাঙামাটি অভ্যন্তরীন নৌ-চলাচল সংস্থার চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন সেলিম জানান, যাত্রি সেবা দেওয়ার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত। তারা যখন বলবে তাদের সুবিধার জন্য লঞ্চ ছাড়া হবে। বরকল চলাচলকারী যাত্রী সুবিধার জন্য আমরা তিনটি লঞ্চ সার্ভিস চালু রেখেছি। যা আগে ১টা চলাচল করতো। তিনি আরো জানান, শিক্ষকদের জন্য ভাড়া অর্ধেক নেয়া হয়। এই বোট সার্ভিস থাকার কারণে বছরে সরকার প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। মঈন উদ্দিন সেলিম জানান আরো জানান, ২০০৮ সনের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. নুরুল আমিন সেই সময় এভাবে বোট চলাচল করতে না পারে সেই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কিন্তু আমরা আবার দেখতে পাচ্ছি গত কয়েক বছর ধরে তারা আবার এই ব্যবস্থা চালু করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাঙামাটি অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন সেলিম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আ: সালাম, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি জহির আহম্মদ, মিনি ট্রাক চালক সমিতির সভাপতি সাব্বির আহম্মদ, বোট মালিক সমিতির সভাপতি মো. সোলাইমান, সিএনজি চালক মালিক সমিতির সভাপতি অলি আহম্মদসহ জেলা সড়ক ও নৌ-পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

৫ Comments
তোদের এত লাভের কি দরকার।অন্যদেরকেও একটু ব্যবসা করতে দে। তারাও খেয়ে পড়ে বাচুক।আর সরকারী রাজ্স্ব হাসাইলি।তোরা যে কি দিস তা একমাত্র রাগাংমাটিই জানে।
হা হা হা, এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার, কম থাকায় দেরি করে যাবে, নাকি বেশি থাকায় তাড়াতাড়ি যাবে।
অযৌক্তিক দাবী যতসব। সবকিছুই কি তোমরা ভোগ করবে? ক’দিন পর ব্যাক্তিগত ছোট ছোট নৌকা বোটগুলোও বন্ধ করার ঘোষনা দিও। সবকিছুই নিজেদের ইচ্ছেমত করার স্বভাব তোমাদের কখনো যাবে না। বরকলের বোট চলাচলের সাথে সড়কপথের কি সম্পর্ক ? সড়কপথ ধর্মঘটের কি প্রয়োজন পড়লো? দেখা যাক তোমাদের সড়কপথ ও নৌপথ ধর্মঘট কতদিন চালাতে পারো? শালার আবালের মালিক শ্রমিক সংগঠন এগুলোর অনুমোদন কোন শালায় দেয় ?
আপনাদের এই প্রতিবাদ মানতে পারলাম না। এই ধরণের প্রতিবাদ করা বোকামি / লোভি বলবে সবাই। কেন আপনারা বুঝেও বুঝতে পারছেন না। বর্তমান যুগ ডিজিটাল। রাঙ্গামাটি কি আপনার একা কিনেছেন? আপনাদের স্বার্থ লোভে অন্যদের অসুবিধায় ফেলবেন এইটা কেও মেনে নিবে না।
vai apnader sobar cmnt er sate ami 100% ek mot korchi.eta lalosha cara r kicui noi.