গত ২৫ মে’২০১৯ (শনিবার) থেকে কাউখালী সদর ও আশপাশে এলাকায় গ্রামীণ ফোনের নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রামীণ ফোন ব্যবহারকারীরা। অফিসিয়াল কাজে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। অনেক দপ্তর ইন্টারনটে নির্ভর হওয়াতে এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে অফিসিয়াল অনেক কার্যক্রম। ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে।
বিভিন্ন সরকারি অফিস ঘুরে দেখা যায়- প্রায় প্রত্যেকটি অফিসেই গ্রামীণফোন ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ৫দিন নেটওয়ার্ক না থাকায় দৈনন্দিন কার্যক্রম দারুণভাবে ব্যহত হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল নাম্বার গ্রামীণ হওয়াতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
কাউখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসরের অফিস সহায়ক রুবেল জানান, বর্তমানে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে। প্রত্যেকদিন জেলা অফিস, আঞ্চলিক অফিস ও সচিবালয়ে রিপোর্ট দিতে হয়। কিন্তু গ্রামীণের নেটওয়ার্ক না থাকায় তা দেয়া যাচ্ছে না। আমাদের অন্য কোন অপারেটরের নেট ব্যবহারেরও কোন সুযোগ নেই। কমিশন থেকে দেয়া এসিমটি ছাড়া অন্য কোন কিছু দিয়ে আমাদের ইন্ট্রানাল সাইড ব্যবহার করা যায়না। নেটওয়ার্ক না থাকায় আইডি কার্ড সংশোধন ও হারানো কার্ডের কাজও করা যাচ্ছেনা।
উপজেলা সদরের মোবাইল রিচার্জের ব্যবসায়ী মাসুদ টেলিকমের মালিক মো: মাসুদ করিম জানান, প্রায়ই গ্রামীণের এমন সমস্যা হচ্ছে বাধ্য হয়ে সিম পরিবর্তন করেছি কয়েকটা। এই অবস্থা চলতে থাকলে সকল গ্রামীণ ব্যবহার করা ছেড়ে দিবে।
গ্রামীণফোনের রাঙামাটির অ্যারিয়া ম্যানেজার ক্যামপং চাকমার সাথে এ বিষয়কে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনান, বিষয়টি নিয়ে আমি মেইল করেছি। ফিডব্যাক পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। পার্বত্য অঞ্চল হওয়াতে হুট করেই এখানে সমস্যার সমাধান করা যায় না। এখানে কাজের জন্য প্রশাসনিক অনুমতি নেয়ার কাজ কাজ চলছে। অনুমতি পেলেই কাজ শুরু হবে। বিষয়টির জন্য আমরা গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
