রাঙামাটিতে নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল আইনের মামলায় সোমবার একজনকে সশ্রম কারাদন্ড ও দুই জনকে ৭ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। রাঙামাটিতে নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল আইনের এটি হচ্ছে রাঙামাটিতে প্রথম মামলার রায়।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের রাঙামাটির বরকল উপজেলার কলাবুনিয়া এলাকায় আব্দুল সাত্তারের মেয়ে সামসুন নাহারের স্বামী সিরাজুল ইসলাম যৌতুকের কারণে মারধর করলে তিনি গুরুত্বর আহত হন। পরে সামসুন নাহারের বাবা আব্দুল সাত্তার বাদী হয়ে মেয়ে জামাইসহ ৪জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ৪ জনকে পুলিশ আটক করলেও মামলার আসামী আব্দুল সাত্তার, তার ভাই আনোয়ার হোসেন ও তরিকুল ইসলাম আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। এছাড়া অপর আসামী আব্দুল সাত্তারের বোনের জামাই খলিলুর রহমান দুই থেকে আড়াই বছর জেল খাটার পর তিনিও জামিনে ছাড়া পান।
দীর্ঘ ২১ বছর ধরে মামলা চলার পর সোমবার নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল আইনের বিচারক মোহম্মদ কাউসার এই মামলার রায় দেন। এতে সামসুন নাহারের স্বামী ও জামিনে পলাতক আসামী আব্দুল সাত্তারের বিরুদ্ধে আনা মামলা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সশ্রম কারাদন্ড এবং আনোয়ার হোসেন ও তরিকুল ইসলামকে ৭ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। এছাড়া অপর আসামী খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
১ Comment
নিউজটা কারেকশান করুন।আব্দুস সাত্তার শামসুন্নাহারের বাবা নট হাজবেণ্ড।