আবারো অস্ত্রের গর্জনে কেঁপে উঠলো পার্বত্য রাঙামাটি। এবার রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার দুর্গম দোসরপাড়া এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা)’র সাবেক কর্মী বিনয় চাকমা জংগলী (৪০)। সে প্রায় দুই বছর আগে সংগঠন ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে জানিয়ে এই হত্যাকান্ডের জন্য ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) সকে দায়ি করেছে জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা)’র মুখপাত্র ও সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ তথ্য ও প্রচার সম্পাদক প্রশান্ত চাকমা।
প্রশান্ত চাকমা বলেন, পাহাড়ের এইসব হত্যাকান্ড যে ইউপিডিএফ’ই করে তাতো আপনারা জানেনই। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে ত্রাসের রাজস্ব কায়েম করেছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে দজর পাড়া এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত জংগলী বছর ধরে রাজনীতি ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। সেই দোসরপাড়া এলাকারই বাসিন্দা।
এ ঘটনায় জেএসএস (এমএন লারমা) ইউপিডিএফকে দায়ী করলেও ইউপিডিএফ বরাবরের মতোই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইউপিডিএফের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, এ ঘটনার সাথে আমাদের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। এটা তাদের নিজেদের মধ্যে কিংবা এলাকার স্থানীয় ঝামেলাও হতে পারে।’
লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রঞ্জন কুমার সামন্ত গুলিতে একজনের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আমরা লাশটি পোস্টমর্টেম এর জন্য রাঙামাটি পাঠাবো।
প্রসঙ্গত, পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে গত ছয়মাসে পাহাড়ের চার আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র বিরোধে আজকের এই হত্যাকান্ডসহ ২৭ জন নিহত হলো।