বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি উপজেলার মতো রাঙামাটির নগর বিএনপির দায়িত্ব পুরোনো কান্ডারিদের হাতেই তুলে দিলো কর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাঙামাটি জেলা বিএনপির কার্যালয়ে নগর বিএনপির সম্মেলনে আবারো তিন নেতার ওপরই ভরসা রাখলেন নগর বিএনপি ও দলের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ। এতে সভাপতি হিসেবে পুনরায় এসএম শফিউল আজম, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বাসেত অপু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজ উদ্দীন নির্বাচিত হয়েছেন।
সম্মেলন শুরুর পূর্বে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এরপর সম্মেলন উপলক্ষে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
পতাকা উত্তোলন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহ আলম। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দীপন তালুকদার দীপু। সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সভাপতি এসএম শফিউল আজম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বাসেদ অপু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এড. সাইফুল ইসলাম পনির, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এড. মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মোহাম্মদ সায়েম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির ও সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন, তাঁতীদলের সভাপতি আনোয়ারুল আজিম, মহিলা দলের সভাপতি মিনারা আরশাদসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসমত আলী, ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক বরুণ চন্দ্র রায়, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি রুহুল আমিন, ৫নং এর সভাপতি ইকবাল করিম, পৌর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, আব্দুল মামুন, নূর নবীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য জেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মোঃ শাহ আলম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির জন্য প্রধান বাধা সরকার। সরকার চায় না বলে আজ খালেদা জিয়া মুক্তি পাচ্ছে না। সরকার জানে মুক্ত খালেদা জিয়া সরকারের জন্য বড় হুমকি। খালেদা জিয়াকে অন্তরীণ রাখতে পারলে সরকার সব অনৈতিক কাজ করে যেতে পারবে। তাই তো খালেদা জিয়াকে মুক্তির মাধ্যমে এই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলে জানান জেলা বিএনপির সভাপতি।
