১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাঙামাটি সরকারি কলেজ। এখনো পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচে গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শুরু থেকেই এই কলেজে কার্যক্রম শুরু করে দেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বরাবরই সব জাতি ও ধর্মের অংশগ্রহণে পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা অসাম্প্রদায়িক এই ছাত্র সংগঠনটির নানা নাটকীয়তার পর পুনর্গঠিত ৭১ সদস্যের কলেজ কমিটিতে নেই একজন পাহাড়ী তরুন। চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির উল্লেকযোগ্যসংখ্যক তরুণ এই সংগঠনটির বিভিন্ন ইউনিটে সক্রিয় থাকলেও সবচে গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্বে বা কমিটিতে কেনো একজনও পাহাড়ী তরুণ-তরুনী নেই,সেটাই বেশ বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে অনেকের মাঝে।
যদিও রাঙামাটি ছাত্রলীগ নেতারা দাবি করেছেন, আঞ্চলিক দলগুলোর প্রবল চাপ,ছাত্রলীগ করতে আসা পাহাড়ী তরুণদের মারধর এবং দিনে দিনে ‘অস্বস্তিকর’ হয়ে উঠা পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণেই কমিটিতে পাহাড়ী তরুণরা নেই বা রাখা সম্ভব হয়নি।
রাঙামাটি সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন এমন অন্তত: ৬ জন নেতার সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বর্তমান অনুমোদিত কলেজ কমিটিই একমাত্র কমিটি যেখানে ঠাঁই মেলেনি কোন পাহাড়ী তরুণ বা তরুণীর। তারাও বর্তমান পরিস্থিতির জন্য পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলোর সহযোগি সংগঠন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদকে দায়ি করেছেন এবং একই সাথে ছাত্রলীগ নেতৃত্বে দুর্বলতাকেও দুষছেন। 
১৯৯১ সালে রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা মো: শাওয়ালউদ্দিন বলেন, আমাদের সময়ে অনেক পাহাড়ী ছাত্রই ছাত্রলীগের রাজনীতি করতো,এদের কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে কেনো নেই আমি জানিনা। তবে এটা ঠিক যে,এখন যে পাহাড়ী ছেলেরা ছাত্রলীগ করতে আসে,তাদের উপর আঞ্চলিক সংগঠনগুলো নানাভাবে নিপিড়ন চালায়,পিসিপি ছাড়া অন্য কোন সংগঠন করতে দেয়না। এই কারণেই হয়তো পাহাড়ী তরুণরা নেই। তবে অবশ্যই থাকা উচিত,খুঁজে বের করে যোগ্য,মেধাবী ও প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার পাহাড়ী তরুণদের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে হবে,তবেই অসাম্প্রদায়িক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিনির্মাণ সহজ হবে।
রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আহমেদ ইমতিয়াজ রিয়াদ বলেন, কিছু পাহাড়ী ছেলে ছাত্রলীগ করে,কিন্তু নানা কারণেই আমরা তাদের কমিটিতে রাখিনি। কমিটিতে রাখলেই তারা পিসিপির টার্গেট হবে এবং হামলার শিকার হবে,তাই আমরা অতীত অভিজ্ঞতায় তাদের রাখিনি। বিগত কয়েকবছরে বাবলু ত্রিপুরা,সৌরভ ত্রিপুরা সহ বেশ কয়েকজন পাহাড়ী ছাত্রলীগকর্মী পিসিপির হামলার স্বীকার হয়েছেন বলে জানান তিনি।
রিয়াদ দাবি করেন, পার্বত্য রাঙামাটির বেশিরভাগ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাই কলেজ থেকে উৎপত্তি হয়,তাই পিসিপি যেনো কোন সুযোগ না পায়,সেই জন্যই আমরা পাহাড়ী ছেলেদের কমিটিতে রাখিনি। তবে আমাদের কিছু পাহাড়ী কর্মী আছে।
কলেজ ছাত্রলীগ সম্পাদক রিয়াদ এই দাবি করলেও,বর্তমানে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রকাশ চাকমা,সদর থানা কমিটির সাধারন সম্পাদক সুপায়ন চাকমাসহ রাজস্থলী,কাউখালিসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় ছাত্রলীগের মূল পদেই দায়িত্ব পালন করছে পাহাড়ী তরুণরা। তবুও কলেজের বেলায় কেনো এই ব্যতিক্রম,সে প্রশ্নের জবাবে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রকাশ চাকমা বলেন, একদিকে আঞ্চলিক দলগুলোর প্রবল চাপ আর অন্যদিকে পারস্পরিক আস্থাহীনতা, এই দুয়ের কারণেই পাহাড়ী তরুণরা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে কম ছিলো,তবে আমি দায়িত্ব নেয়ার পর পরিস্থিতি উত্তরণের চেষ্টা করছি। বিভিন্ন উপজেলায় অনেক পাহাড়ী তরুণ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় আছে কিন্তু রাঙামাটি কলেজে এখনো এটা সফলভাবে করা সম্ভব হয়নি। কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের পক্ষে আন্দোলনের সময় পিসিপির রোষানলে পড়ে অনেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী,তার জের এখনো আছে। ওই সময় রাঙামাটি কলেজে ছাত্রলীগের মিছিলে পাহাড়ী ছেলেমেয়েদের অংশগ্রহণের উপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পিসিপি। এর জেরেই হয়তো এখন পাহাড়ী ছেলেমেয়েরা প্রকাশ্যে কেউ ছাত্রলীগ করতে আসছেনা। এটা অবশ্যই দু:খজনক। আমরা চেষ্টা করছি পরিস্থিতি উত্তরণের।
ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন এমন দুইজন আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের পাহাড়ী নেতা বলেছেন, আঞ্চলিক দলগুলোর প্রভাব ও চাপ আগেও ছিলো, এখন হয়তো মাত্রাটা বেড়েছে। কিন্তু তাই বলে একজন পাহাড়ী তরুণও নেই ঐতিহ্যবাহি এই কলেজে ছাত্রলীগ করার মতো কিংবা কমিটিতে থাকার মতো এটা অবিশ্বাস্য। আমাদের দল টানা দশবছর ক্ষমতায় থাকার পরও যদি এই কথা বলি আমরা,সেটা লজ্জার। নিজেরা ক্ষমতায় থেকে যদি বলি, অন্যদের ভয়ে আমাদের দলে পাহাড়ী তরুণরা আসছে না,বিষয়টি হাস্যকরও । তবে আঞ্চলিক দলগুলোর এই ‘গুন্ডামি’র বিরুদ্ধে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানান এই দুই প্রভাবশালী ও পরিচিত নেতা।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২২ মে কাউন্সিলে সরাসরি ভোটাভুটির মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার ২৮ মাস পর ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেছে,রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর কলেজ ছাত্রলীগের ‘সমঝোতার কমিটি’ হওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেতাকর্মীরাও। কমিটিতে ঠাঁই পাওয়া নতুনরা খুশি,অন্যদিকে বাদ পড়ারা জানিয়েছেন ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া। তবে সবমিলিয়ে সমঝোতা হওয়ায় খুশি সংগঠনটির নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা।

৫৫ Comments
Good news…
এখানে পাহাড়ি-বাঙালি বলার কি আছে?? যারা যোগ্য তারাই কমিটিতে স্থান পেয়েছে। #এডমিন সাম্প্রদায়িক উস্কানি বন্ধ করুন।
#ধন্যবাদ।
সঠিক
সবাই তো পাহাড়ে বাস করে, সেই হিসেবে সবাই তো পাহাড়ি।
শুধু চাকমা, মারমা, বা ত্রিপুরাদের পাহাড়ি বুঝানো হয় কেন?
Samne election ai parbatta anchal a amra nuton kno dalke kamotai dekte cai a.l nai.ai awaimi communalism spread kre dece besi.
samner election susto hle onno dal kamati asle abob hobo na.
Dorkat nai,tai raky ne ni r ki. Apnadar a to mata beta kno?
রাইট
Discriminated Commitee
Ora PCP te dhukche
ছাএলীগে সন্ত্রাসী কোন এস্তান নাই এটা একটা আদর্শ ছাএ সংঘটন জে এস এস নয় বুজা উচিৎ
100% right
Pagol
PCP takla sontrose sogotona poronoto hoba tai rakani
কলেজের অধিকাংশ উপজাতি ছেলেরা ছাত্রলীগ করেনা।
হাস্যকর বিষয় বটে। পি সি পি কি ছাত্র লীগ কে বয়কট করেছে ? হতে পারে জনগণকে বোকা বানানোর এক নতুন ড্রামা সৃষ্টি হলো? ঊপজাতীয়রা কি কখনো মন প্রাণে জাতীয় রাজনীতি করেছিল ? এই নিয়ে এডমিনের এত চুলকানী কেন?
অামার সেই প্রশ্ন
মিঃ পাল বাবু, পাহাড়িরা যদি মনপ্রাণ দিয়ে জাতীয় রাজনীতি না করতো তাহলে রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সংগ্রামী সভাপতি দীপংকর তালুকদার দাদা কে শুনি? উনি কি পাহাড়ি নন?
দাঁড়ি আর টুপি রাখলে মো: হয় না ।
Ujjal Paul দাদা অসাধারণ
মিঃ পাল বাবু, আপনার কমেন্টসের মাঝে আপনি আমার উত্তরটা দিয়ে দিলেন। আশাকরি বুঝে গেছেন ?
পাহাড়ে আছেন আবার পাহাড়ী খুজেন আবাল।পাহাড়ে যারা আছেন সবাই পাহাড়ী। কথার মাঝে এত প্যাচ লাগান কেন? আওয়ামীলীগে কোন সন্ত্রাসীর জায়গা হয়না কিন্তু প্রতিদিন যে ছাত্রলীগ,যুবলীগ সন্ত্রাসী দ্বারা নারী ধর্ষন হচ্ছে তাহলে।আর জুম্মরা আওয়ামীলীগ করেনা বলে সন্ত্রাসী সেটি কোন ধরনের কথা। আন্দাজে কমেন্ট করবেন না কমেন্ট করলে ভদ্রতা বজায় রেখে করবে? আর রাজনীতি করা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
রাঙ্গামাটির আওয়ামীলীগে এবং ছাত্রলীগে অতীতে যারা ছিল এবং বর্তমানে যারা আছে তারা পার্বত্য চুক্তিকে পাশ কাটিয়ে জুুম্মদের ধ্বংসের পায়তারা করছে।পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা তরুণ পাহাড়ী ছাত্র রয়েছেন তারা এখন চুক্তির ২০ বছরের মধ্যে আওয়ামীলীগের চরিত্র বুঝতে সক্ষম হয়েছেন।তাই ছাত্রলীগে পাহাড়ী ছাত্ররা নেই।
এটা খুবই খারাপ একটা কাজ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
Good.
এটা থাকার কথাও না।কলেজে পাহাড়িদের বাধ্যতামূলক পিসিবি করতে হয়।
কিছু কইবার নাই, জোর যার মুল্লুক তার।
আমি সহমত নিউজের পক্ষে।
কারন একটা পাহাড়ি ছেলে যখন পিসিপি থেকে মার খেয়ে হাসপাতালে ছিল তাকেও ত কমিটিতে রাখা হয়নাই।
আর পূর কমিটিই মনগড়া মত করা।
সিনিয়র ছাত্ররা কমিটিতে না এসে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার এর ছাত্ররাও আসে।
হায়রে গ্রুপিং রাজনীতি।
যারা যোগ্য তারাই স্তান পেয়েছে
আরে ভাই পাহাড়িরা তো জে.এস.এস ও ইউপিডি এফ করে,, তারা তো ছাএলীগ করে না,,এগুলো নিউজ করার কি আছে,,??
ভাই এ কথা গুলো মাথা মোটা পন্ডিত গুলা কে বোঝাবে কে ?
সম্মানিত আওয়ামীলীগের সভাপতি মহোদয় জনাব দীপংকর তালুকদার কি পাহাড়ি নন? সো, আপনাকে আবাল ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না ভাউ। ???
১০ জনেরর মধ্যে ১ জন গননা যোগ্য কিনা,,??
১০ জনের মধ্যে ১ জন ?? হা,,হা,,হা,, আরে ভাউ, ওই একজন পাহাড়িই তো সমগ্র রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের অবিসংবাদিত সংগ্রামী নেতা। যিনি, একাই ১০০ বাংগালীর সমান। ধন্যবাদ।
পাহাড়ীরা কেন থাকব রে এডমিনের বাচ্চা
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশে কাউকে জোর করে কোনো কিছু করা আইনত অপরাধ। ওরা নিজ থেকে সাহস না করলে ছাত্রলীগের কি দোষ?? #কষ্ট_না_করলে_যেমন_কৃষ্ট_মিলে_না #তেমন_ছাত্রলীগ_না_করলে_ছাত্রলীগের_কমিটিতে_আসা_যায়_না
এত সুন্দর অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
পাহাড়ি না থাকলে কি হইছে।
ওরা পাহারে ত আছে। ওরা পাহারে থাকাই পছন্দ করে
Good.
সবচেয়ে ভালো ও যুগোপযোগী কমিটি।সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
যোগ্যতার ভিক্তিতে কমিটি করা হয়, যাদের যোগ্যতা নেই তাদের কমিটিতে রেখে কমিটিকে অযোগ্য করার দরকার আছে বলে আওয়ামীলীগ মনে করেনা…
পাহারীরা কখনো জাতীয় দল করে না,,,,
ওরা নিজেদের দল নিয়া ব্যস্ত থাকে,,,,
সুযোগ পেলে ওরা জাতীয় দলের লোকদের মধ্যে হাংগামা তৈরি করে দেয়,,,
সো এদের এখানে রাখার কোন প্রশ্নই অাসে না
আপনার মতো মাথা মোটা আবালদের কমেন্টস দেখলে হাঁসবো না কাঁদবো বুঝতে পারিনা ?? পাহাড়িরা জাতীয় দল করেনা। এই রকম মনগড়া কথা না বললে কি নয়?
এটাও কি একটা খবর হল ?
কমিটিতে থাকতে হলে,,,,, দেশের,, প্রতি,, প্রেম,, ভালো,, বাসা ,,, থাকতে,,,,হবে, ,,,
দুই নৌকা পা রাখা টিক না। কারন ঐরা অলরেড়ি পিসিপি নৌকা আছে তাই আর কি!! 😉
সঠিক সিদ্ধান্ত।এধরণের নাকবোচা জংগলী রিফিউজি খাপ্পা সন্ত্রাসী দের কে না রাখা ভালো।
Tapan Chakma Tapan Chakma কি হবেরে জংগলী নাকবোচা রিফিউজি বেজন্মা।
Shahadat Raju ভাউ, কিন্তু দুঃখের বিষয় সমগ্র CHT তে জংগলী, নাকবোচা, খাপ্পারাই জাতীয় রাজনীতির কর্ণদ্বার। এইবার কন, আপনার কমেন্টের কোনো যুক্তিগতা আছে কি ভাইজান?
#Crystalline Prince ঘেউ ঘেউ নেড়িকুকুর হয়তো আগামি ১০ বছর আর এই প্রথা গত নিয়মটা থাকবেনা।এখনো থাকতো না যদি না বাংগালিদেরর মধ্যে একাধিক নেতার কোন্দল না থাকতো।সমস্যা টা বাংগালি যখন দাঁড়াই ২টা হয় যাই।আর আপনাদের এই খানে সুবিধা।সামনে হয়তো যখন বাংগালি ঘুম ভাঙ্গবে তখন নেতা তো দূরের কথা সদস্য পদও পাইতে কাঠ খড় পোহাতে হবে।বাংলাদেশে সকল রাজনৈতিক দল যানে এই নাকবোচা জংগলী মঙ্গোলীয় রিফিউজি গুলো সন্ত্রাসী আর দেশদ্রোহী।
কি দরকার? ?
অসাম্প্রদায়িক ছাত্র সংগঠন! সাম্প্রদায়িক কাজ করলো ঠিক বুঝে আসছেনা
এই নিউজটা না ছাপলে হতো না!!! নাই ভালো হইচে এটা আবার ছাপতে হয় নাকি।
না থাকাটাও উত্তম।
ঠিক আছে,পাহাড়িদের তো আওয়ামীলীগ করা উচিত না,কারণ আওয়ামীলীগ মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে পাহাড়িদের ধ্বংস করতেছে।এরা চুক্তিকরে আবার তা বাতিল করার জন্য নানা ধরনের পায়তারা করতেছে।আজ পযর্ন্ত চুক্তি একটি ধারা বাস্তবায়ন করে নি।আর এরা নাকি চুক্তি বাস্তবায়ন করবে হাস্যকর কথা।