গৌতম বুদ্ধের জম্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব লাভ একই দিনের হওয়ায় বুদ্ধ ধর্মলম্বীরা এই দিনটিকে ধর্মীয় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেন। এই দিনটিকে বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা বলা হয়ে থাকে।
দিনকে পালনের জন্য রাজ বনবিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের পক্ষ থেকে সকাল সাতটায় রাঙামাটি জেলা পরিষদের সামনে থেকে ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করে। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে রাজ বনবিহারে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, রাজ বনবিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের সভাপতি গৌতম দেওয়ানসহ পূণ্যার্থীবৃন্দ।
র্যালি শেষে রাজ বন বিহারে পূণ্যার্থীরা প্রদীপ প্রজ্বালন করেন। পরে রাজ বনবিহার আবাসিক প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাথেরো ভান্তে দেশনা প্রদান করেন।
রাজবন বিহার উপাসক উপাসিকা পরিষদ, সভাপতি, গৌতম দেওয়ান বলেন, ‘আমরা আজকের দিনটি বৈশাখী পূর্ণিমা বলি। এই দিন গৌতম বুদ্ধের জম্ম, বুদ্ধত্ব ও পরিনির্বান লাভ করেন। আবার বৈশাখী পূর্ণিমাকে আমরা বুদ্ধ পূর্ণিমা বলে থাকি। সমস্ত বুদ্ধধর্মালম্বী যারা আছেন দিনটা অত্যান্ত গুরুস্তপূর্ণ। তিনি আরো বলেন, ‘আজকের দিনে আমার প্রত্যশা হলো বুদ্ধের যে জীবন দর্শন ছিল যে মানবতাবাদ, সাম্য মৈত্রীর মাধ্যমে পরস্পর স্ব অবসস্থান করুক। এই দিনে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সন্ধ্যায় বিহার প্রাঙ্গণে প্রদ্বীপ প্রজ্জলন ও ফানুস উড়োনো হবে।
