জিয়াউল জিয়া ॥
ভ্যাকসিন গ্রহণে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়লেও ভ্যাকসিন স্বল্পতার কারণে বন্ধ রয়েছে নতুন করে টিকাদান কর্মসূচি।
রাঙামাটি সিভিল সার্জল অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার টিকা দানের ৫ম দিন বিকেল পর্যন্ত ১২ হাজার ৫৫৫জন রেজিস্ট্রেশন করলেও টিকা গ্রহণ করতে পেরেছেন ৪ হাজার ৬০০ জন। প্রথম দিন টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৩১৬ জন, ৫ম দিন টিকা গ্রহণ করেছেন ১ হাজার ১০০ জন।
৫ম দিন রাঙামাটি সদর হাসপাতালে টিকা গ্রহণ করেছেন রাঙামাটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব ও বেপজা’র চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ও তার স্ত্রী এবং রাঙামাটির পুলিশ সুপার এর স্ত্রী। টিকা গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত কারো শরীরে পাশর্^প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।
রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা জানান, গত ২৪ তারিখ ১২ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছি যা ৬ হাজার মানুষের জন্য দুই ডোজ বরাদ্দ রেখে ১০টি উপজেলায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৬০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জনসংখ্যা অনুযায়ী টিকার স্বল্পতা রয়েছে। প্রথম দিকে টিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্ত থাকলেও তা অনেকটা কেটে যাওয়ায় টিকার জন্য রেজিষ্ট্রেশন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, আগে স্পটে রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ থাকলেও এটি আপতত বন্ধ রাখা হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন খোলা রয়েছে। সবাইকে বলবো রেজিস্ট্রেশন করে রাখুন দ্বিতীয় ডোজ আসলেই আবার ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রতিমাসে দেশে ভ্যাকসিন আসবে, আসলে আবারও টিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে। কাউকে ভ্যাকসিন থেকে বাদ দেওয়া হবে না।
রাঙামাটির দায়িত্ব প্রাপ্ত সচিব ও বেপজা’র চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ভ্যাকসিন নিয়ে বলেন, উন্নত বিশে^র অনেক দেশ টিকা না পেলেও বাংলাদেশ সরকারের চমৎকার ব্যবস্থার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে টিকা নিতে পারছে। রাঙামাটিতে টিকার চাহিদা বেড়েছে, আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে কথা বলবো যাতে চাহিদা অনুযায়ী টিকা দেওয়া হয়।
