রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লের মধ্য দিয়ে ৪৭ তম মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। সোমবার সকালে রাঙামাটি চিং হ্লা মং মারি স্টেডিয়ামে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এ কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহন করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ ও পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীর। এরআগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।
পরে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন ও প্যারেড পরিদর্শন শেষে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে উপভোগ করেন। কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে রাঙামাটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
এইবারে কুচকাওয়াজে বিভিন্ন সরকারি বাহিনীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কুচকাওয়াজ প্রদর্শনীতে প্রাথমিক বিভাগে প্রথম রাঙামাটি সরকারি শিশু পরিবার, দ্বিতীয় রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হলদে পাখির দল এবং তৃতীয় ভেদভেদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন।
কুচকাওয়াজ মাধ্যমিক বিভাগে প্রথম রাঙামাটি সরকারি শিশু পরিবার, দ্বিতীয় রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তৃতীয় মনোঘর আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয় বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন।
পরে ডিসপ্লে প্রদর্শনীতে প্রাথমিক বিভাগে প্রথম গোধুলী আমানতবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় রাঙামাটি শিশু নিকেতন এবং তৃতীয় মনোঘর প্রি ক্যাডেট স্কুল বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন।
ডিসপ্লে মাধ্যমিক বিভাগে প্রথম রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বিতীয় মনোঘর আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয় এবং তৃতীয় রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন।
মহান স্বাধীনতা দিবসের ৪৭ তম বার্ষিকী উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ এই ৪৭ বছরে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। সারা বাংলার মানুষ এখন শান্তিতে বসবাস করছে। সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করছে বর্তমান সরকার। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত এ দেশ এখন সমৃদ্ধশালী সার্বিক দিক দিয়ে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা শুধুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা এখন সাড়া বিশে^ ছড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে এবং সার্বিক উন্নয়ন সাধন করতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ স্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া দিবসে প্রথম ভাগে রিজার্ভ বাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন।
