প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বান্দরবানের লামা উপজেলায় নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীর ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইমুতে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছবি পোস্টারিং করারও উঠেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বড় ছনখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মো. মামুন (১৫) নামের এক বখাটের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৪-৫জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।
স্কুল ছাত্রীর মা অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার মেয়ে চকরিয়া উপজেলার রশিদ আহমদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। গত ২২ আগস্ট তার মেয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় একই এলাকার জাফর আলমের ছেলে মো. মামুন (১৫) মেয়েকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে ছবি তুলেন। এ সময় আমার মেয়ে বাধা দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় সে। পরবর্তীতে ছবিগুলো দিয়ে তার মেয়েকে জিম্মি করার চেষ্টা করে বখাটে মামুন। এক পর্যায়ে মেয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিলে বখাটে মামুনসহ তার সহযোগীরা ছবিগুলো প্রিন্ট করে পোস্টারিং করে এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগিয়ে দেয়। এছাড়া বখাটেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক ও ইমু আইডি থেকে ছবিগুলো ছড়িয়ে দেয়। গত ২৮ আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে এগারোটার সময় বখাটে মামুনসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন স্কুল ছাত্রীর মা।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মামুনের মা কুলছুমা বেগম বলেন, আমার ছেলে মামুনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। অনেকদিন ধরে আমার ছেলে বাড়িতে ছিল না।
এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, এ ঘটনার তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।