জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা আয়োজনে বান্দরবানে জাতীয় শোক দিবস পালিত হচ্ছে। আজ শনিবার সকালে বান্দরবান বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে স্থাপিত জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সূচনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।
পরে জেলা প্রশাসক মো: দাউদুল ইসলাম, মেয়র মো: ইসলাম বেবী, পার্বত্য জেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন’সহ সরকারী বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং জেলা আওয়ামীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো আলাদা আলাদা ভাবে জাতীর জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানকে শ্রদ্ধা জানান।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: ইসলামী বেবী জানান, শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে সকালে জেলা আওয়ামীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়াও বিকালেও বঙ্গবন্ধু মক্তুমঞ্চে আলোচনা সভা এবং এতিমখানা, অনাথ আশ্রমগুলো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হবে। শুক্রবার’রাতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে মুক্তমঞ্চে প্রদ্বীপ প্রজ্জলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। বাঙালি জাতির শোকের দিন। জাতীয় শোক দিবস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। জাতির জনককে সপরিবারে নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে হত্যার ৪৫ বছর আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে রাজধানী ঢাকায় সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। এদিন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, বাঙালির মহানায়ককে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মতরে শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে।
তিনি বলেন- ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাবান জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ পালন করছে। বান্দরবান জেলায়ও তার ব্যত্যয় হচ্ছেনা।’
