বাংলাদেশ পল্লী-কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর চেয়ারম্যান এবং দেশ বরেণ্য অর্থনীতিবীদ ড. খলীকুজ্জমান আহম্মদ রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। এই ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডেই রাঙামাটি পার্বত্য জেলার স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড প্রোগ্রাম এন্ড ডেভেলপমেন্ট ( সিআইডিপি) পিকেএসএফ এর অর্থায়নে ঋন কর্মসুচী, সমৃদ্ধি কর্মসূচী এবং প্রবীণদের জীবন মান উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। মঙ্গলবার ৩ নং ওয়ার্ডের দেপ্যোয়াছড়ি গ্রামে বেলা ১২ টার সময় তাঁর সহর্ধর্মিনী ড. জাহেদা আহম্মদসহ পৌঁছালে এলাকাবাসীরা তাদেরকে ফুলেল সংবর্ধনার মাধ্যমে বরণ করে নেন।
অতিথিদের সম্মানে এলাকার শিশু শিল্পীরা যারা প্রকল্পের ‘বৈকালিক শিক্ষা কেন্দ্র’ এর ছাত্র- ছাত্রী এসময় বেশ কয়েকটি স্থানীয় ঐতিহ্যবাহি নৃত্য পরিবেশন করেন।
প্রসঙ্গত, সমৃদ্ধি কর্মসূচীর আওতায় সিআইপিডি ইতোমধ্যে সেখানে গভীর নলকূপ, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, নদী পারাপারের জন্য একটি কাঠের সেতু, সমৃদ্ধি সেন্টার স্থাপন করেছে। এছাড়াও পাশাপাশি উক্ত গ্রামে শিক্ষা এবং ঋণ বিতরণ কর্মসূচী বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রধান অতিথি বলেন, সমাজের সমাজের পিছিয়ে পড়া, পিছিয়ে থাকা এবং পিছিয়ে রাখা জনগোষ্ঠীদের জীবন মান উন্নয়নই পিকেএসএফ এর প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সংগঠনটির দায়িত্বশীলরা।
ড. খলীকুজ্জমান আহম্মদ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি একটি গ্রাম, সমাজ এবং একটি ইউনিয়ন তখনই সমৃদ্ধ হবে যখন গ্রামের প্রতিটি মানুষকে সমৃদ্ধ করতে পারবো। অনগ্রসর অঞ্চল হিসেবে পার্বত্য এলাকার জন্য সংস্থার ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশেষ কর্মসূচীও রয়েছে।’ এখানকার ভৌগলিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখেই যে কোন কর্মসূচী পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়ে থাকে বলেও মন্তব্য করেন বরেণ্য এই অর্থনীতিবিদ।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো: জসীম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্রামের বিহারাধ্যক্ষ ভেনা কীর্তি জ্যোতি ভিক্ষু, সিআইপিডি’র অর্থ সম্পাদক এঞ্জেলা দেওয়ান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনলাল চাকমা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৩ নং সাপছড়ি ইউপি এর চেয়ারম্যান মৃণাল কান্তি চাকমা।
