মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবারো পিছিয়ে রয়েছে পাহাড়ের তিন জেলা। তিন জেলাতেই কমেছে পাশের হার। তবে খাগড়াছড়িতে সবচেয়ে বেশি ফলাফল বিপর্যয় হযেছে।
রোববার (৬ ম) দুপুরে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার রাঙামাটিতে পাসের হার ৬২ দশমিক ৭২, যা গতবার ছিলো ৬৩ দশমিক ৫১। খাগড়াছড়িতে এবারের পাসের হার ৫০ দশমিক ৫২, যা গতবার ছিলো ৬২ দশমিক ৬৩ ও বান্দরবানে এবারের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৯২, যা গতবার ছিলো ৭৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. তাওয়ারিক আলম বলেন, ‘বরাবরের মতই এবারো তিন পার্বত্য জেলার ফলাফল তেমন ভালো নয়। যার প্রভাব বোর্ডের সার্বিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে।’
তিন পার্বত্য জেলার গনিতে পাশের হার জানাতে গিয়ে তাওয়ারিক আলম বলেন, ‘রাঙামাটিতে গাণিতে পাশের হার ৭৯ দশমিক ১৮ শতাংশ, খাগড়াছড়িতে ৭২ দশমিক ৫৮ শতাংশ, বান্দরবানে মাত্র ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।’
এদিকে, এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বান্দরবানের লামা উপজেলায়ও ১ হাজার ১৭১ জনের মধ্যে ৬৬৭ জন পাস করেছে। অকৃতকার্য হয়েছে ৫০৩ জন। রোববার দুপুরে প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ সব তথ্য জানা যায়।
শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবারের মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় রাঙামাটির ৮০টি বিদ্যালয়ে ৭ হাজার ২৭০ জন, খাগড়াছড়ির ৭৫টি বিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭০৫ জন এবং বান্দরবানের ৩৬টি বিদ্যালয়ে ২ হাজার ৯৫০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
২ Comments
হরতাল মানেই সাধারন জনগনকে কষ্ট দেয়া৷ এতে কার কি লাভ হয় জানিনা৷ হরতালের সময় অসুস্থ অবস্থায়ও ভোরে ঘুম থেকে উঠে পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে যেতে হয়৷
হরতাল মানেই সাধারন জনগনকে কষ্ট দেয়া৷ এতে কার কি লাভ হয় জানিনা৷ হরতালের সময় অসুস্থ অবস্থায়ও ভোরে ঘুম থেকে উঠে পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে যেতে হয়৷