উদ্দেশ্য ছিল ময়লার ভাগাড়ে খাবারের খোঁজে আসা সজারু, শিয়াল, শুকরের মতো প্রাণী ধরবেন।
সেজন্য কায়দা করে বিদ্যুতের তার দিয়ে তৈরি ফাঁদও পেতেছিলেন। কিন্তু বন্যপ্রাণী ধরার সেই ফাঁদেই প্রাণ হারালেন দুই পাহাড়ী যুবক। কেচাচিং ও উবাচিং মারমা রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার বাসিন্দা।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার জঙ্গল ভাটিয়ারির এক পাহাড়ে।
নিহতরা হলেন- কেচাচিং মারমা (২৫) ও উবাচিং মারমা (২২)।
ভাটিয়ারিতে আবাসন প্রতিষ্ঠান সানমার প্রপার্টিজের বাগান পরিষ্কারের কাজ করতেন তারা।
সীতাকুন্ড থানার ওসি ইফতেখার হাসান জানান, ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর আবর্জনা ফেলা হয়। সেখানে সজারু, শিয়াল, শুকরের মতো প্রাণী খাবারের খোঁজে আসে। এসব প্রাণী ধরতেই বৈদ্যুতিক তার দিয়ে ফাঁদ পেতেছিল কেচাচিং ও উবাচিং। “সকালে ওই তারে জড়িয়েই তারা মারা যায় ”
সানমার প্রপার্টিজের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো: মাঈনুল হক জানান, নিহত দুইজনসহ কয়েকজন শ্রমিক ওই এলাকায় তাদের বাগান পরিষ্কারের কাজ করেন। তাদের এলাকার কিছুটা দূরেই ফেলা হয় আবর্জনা।
“সকালে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে আমরাও সেখানে যাই। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।” (বিডিনিউজ)
৩ Comments
হয়ে গেলো মরাচিং
প্রাণী হত্যা মহাপাপ। এবার তারা নিজেরাই পাপের কারনে মৃত্যু বরন করল। সবাই সাবধান।
konhu