দীঘিনালায় একটি ইউনিয়নে দুস্থদের জন্য বরাদ্ধকৃত ভিজিডি তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুস্থরা বঞ্চিত হলেও সুবিধাভোগির তালিকাভূক্ত হয়ে ভিজিডির চাল পেয়েছে সরকারী চাকুরীজীবি এবং স্বচ্ছল পরিবারের লোকেরা।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনুকা খীসা। অপরদিকে অনিয়মের বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার এবং আওয়ামীলীগ নেতা পরষ্পরকে দোষারোপ করছেন। ঘটনাটি উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে।
স্থানীয় এবং ভূক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী হতদরিদ্ররা তালিকাভূক্ত হওয়ার কথা থাকলেও হতদরিদ্ররা বঞ্চিত হয়েছে। টাকার বিনিময়ে তালিকায় স্থান পেয়েছে স্বচ্ছল ও সরকারী চাকুরীজীবির পরিবার। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেরুং ইউনিয়ন পরিষদে ৩নং ওয়ার্ডে সম্প্রতি প্রদত্ত ভিজিডি সুবিধাভোগীদের সরেজমিনে তদন্ত করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনুকা খীসা। তদন্ত শেষে এই কর্মকর্তা কালের কন্ঠকে জানান, ৩নং ওয়ার্ডের সুবিধাভোগীদের মধ্যে বেশ কিছু অনিয়ম পেয়েছেন। সুবিধাভোগীর মধ্যে সরকারী চাকুরীজীবির পরিবারের নামও পেয়েছেন। এ ধরনের ৫জনের নাম তালিকা থেকে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের জন্য এই কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বারকে দায়ী করেছেন। তবে সুবিধা বঞ্চিত দুস্থ পরিবারগুলোর অভিযোগ, সুবিধাভোগি সকলের তদন্ত করা হলে এরকম স্বচ্ছল আরো অনেক পরিবার পাওয়া যাবে যারা ভিজিডি কার্ড পাওয়ার কথা নয়।
অপরদিকে ওয়ার্ড মেম্বার আবু কালাম জানান, বাতিলকৃত ৫টির মধ্যে তিনি মাত্র একজনের নাম তালিকাভূক্ত করেছিলেন। বাকিগুলো দলীয় বিবেচনায় নাম দিয়েছিলেন মেরুং ইউনিয়ন (উত্তর) আওয়ামীলীগের সভাপতি আঃ খালেক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আঃ খালেক মেম্বারের বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ করে বলেন, ‘মেম্বার স্বচ্ছল লোকদের নিকট থেকে টাকা খেয়ে সব নামের তালিকা সে নিজেই করেছে।’