জাকির হোসেন, দীঘিনালা ॥
নুরজাহান (৭২), রহিমা (৫০) এবং বাহাতুন নেছা (৭৫) হতদরিদ্র তিন নারী। তাঁরা সকলেই পেশায় দিনমজুর, থাকতেন ভাঙ্গা ঘরে। এখন আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের পাকা ঘর হচ্ছে তাঁদের। এরকম পাকা ঘর হবে তা তাঁরা স্বপ্নেও ভাবেননি অথচ বাস্তবে ঘর হওয়ায় মহাখুশি এই তিন নারী জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা; ধন্যবান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের মধ্যবেতছড়ি গ্রামের পাশাপাশি এ তিন নারীর দুইজন বিধবা আরেকজন স্বামি পরিত্যক্তা। একই গ্রামে ঘর হয়েছে বিধবা জহুরা বেওয়া (৮০) এবং জাহানারা বেগম (৭৫) এর। শুধু রহিমা আর নুজাহানই নয় এরকম ঘর পাচ্ছেন উপজেলার অনেক দুর্গম এলাকার হতদরিদ্র পরিবার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আরাফাতুল আলম নিজেই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পরেন হতদরিদ্র পরিবারের খোঁজে, নিজ চোখে দেখেই নির্ধারণ করেন সুবিধাভোগী। এরকমই জানালেন, নুরজাহান ও রহিমা। তাঁদের ভাঙ্গা বাড়ির সামনে দিয়ে নির্বাহী অফিসার যাওয়ার সময় ভাঙ্গা কুঁড়েঘর দেখে তাঁদের ঘর দেওয়ার তালিকা চূড়ান্ত করেন। কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হয় নির্মাণকাজ। মানুষের জমিতে কাজ করে সামান্য বেতনে দুবেলা দুমুঠো ভাত জুটতো না আর এখন পাকা ঘরে থাকবেন এটি যেন তাদের সারা জীবনের জন্য এক বিশাল পাওয়া।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আরাফাতুল আলম জানান, বর্তমানে দীঘিনালায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ৪০০ ঘর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে যেগুলোর প্রায় ৯০শতাংশ কাজ শেষ পর্যায়ে। বুধবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে ৩৫০টি ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হবে এবং দলিল হস্তান্তর করা হবে।
