চাইলেই নিজের এলাকার বাইরে ‘মাতবরি’ করার সুযোগ থাকছে না রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত সদস্যদের। দপ্তর বন্টনের পাশাপাশি সদস্যদের এলাকাও ভাগ করে দেয়া হয়েছে। ঘোষিত এই তালিকা অনুসারে রাঙামাটি পৌর এলাকার দায়িত্ব হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর, রাঙামাটি সদরের বালুখালি ও বন্দুকভাঙ্গার দায়িত্ব বিপুল ত্রিপুরা, মগবান ও জীবতলীতে ঝর্ণা খীসা, সাপছড়ি ও কুতুকছড়িতে বাদল চন্দ্র দে কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
বাঘাইছড়ি উপজেলার দায়িত্বে থাকবেন প্রিয়নন্দ চাকমা। লংগদু উপজেলার লংগদু সদর ও আটারকছড়ার দায়িত্বে থাকবেন আছমা বেগম, এই উপজেলার বাকিসবগুলো ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকবেন আব্দুর রহিম,জুরাছড়ি উপজেলার দায়িত্বে প্রবতর্ক চাকমা, কাউখালীর দায়িত্ব রেমলিয়ানা পাংখোয়া, কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোণা,কাপ্তাই সদর ও চিৎমরম এর দায়িত্ব পালন করবেন অংসুচাইন চৌধুরী এবং ওয়া¹া ও রাইখালির দায়িত্ব পালন করবেন দীপ্তিময় তালুকদার,বরকল উপজেলার দায়িত্বে থাকবেন সবীর কুমার চাকমা, নানিয়াচরের দায়িত্বে থাকবেন ইলিপন চাকমা, বিলাইছড়ির দায়িত্বে রেমলিয়ানা পাংখোয়া, রাজস্থলীর দায়িত্ব পালন করবেন নিউচিং মারমা।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান অংসুই প্রু সাক্ষরিত এই অফিস আদেশে বলা হয়, ‘ ১৯৮৯ সালের পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের ২৭ ধারা অনুসারে এইসব দায়িত্ব বন্টন করা হলো।’
