বান্দরবানের লামা-চকরিয়া সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতদের সাথে পুলিশের ঘন্টাব্যাপী বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ৩ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় ৩ ডাকাতকে দেশীয় তৈরি দুইটি লম্বা বন্দুক, চারটি এলজি বন্দুক, দুইটি চোরা ও ১৭ রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়। আটক ডাকাতরা হলেন খুটাখালী গর্জনতলী এলাকার নুরুল হুদার ছেলে গিয়াস উদ্দিন (২৮), ডুলাহাজারা ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকার মৃত আনু মিয়ার ছেলে এনামুল হক (৩৫) ও মহেশখালী উপজেলার কালারমার ছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাপুয়া এলাকার জালাল আহমদের ছেলে আবদুল হামিদ (৩০)। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে চকরিয়া-লামা সড়কের ফাঁসিয়াখালী রিংভং বালু রাস্তার মাথা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নস্থ লামা-আলীকদম সড়কে বুধবার রাত ১১টার দিকে ৭-৮জনের একদল ডাকাত ফাঁসিয়াখালী রিংভং বালুর রাস্তা মাথাস্থ সড়কের মধ্যে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়। পুলিশ রাস্তায় ডাকাতির প্রস্তুতির গোপন সংবাদ পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অভিযান কর্মকর্তা তানবির আহমদ, উপ-পরিদর্শক মো. আলমগীর, সুকান্ত চৌধুরী ও চম্পক বড়ুয়ার নেতৃত্বে সঙ্গীয় সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ডাকাতেরা পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে ১৫-২০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা প্রায় ১০ রাউন্ড মত গুলি ছুঁড়েন। এক পর্যায়ে ডাকাত দল পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতদলের তিন সদস্যকে আটক করে পুলিশ। এ সময় ডাকাতদের ছুঁড়া গুলিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-পরিদর্শক আলমগীর ও সুকান্ত চৌধুরী আহত হয়। আহতদেরকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হয়েছে।
অভিযানে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাতকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে চকরিয়াসহ বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। এ ঘটনায়ও ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।
