কর্মস্থলে যোগদান করতে এসে হেনস্থার শিকার খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুধু তিনি নন মামলার আসামি হয়েছেন একই বিভাগের চট্টগ্রাম সার্কেলের তত্ত্বাধায়ক প্রকৌশলী মো: জহির উদ্দিন দেওয়ান।
রবিবার দুপুরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল বাদী হয়ে খাগড়াছড়ি আমলী আদালতে সিআর মামলা (নং ২০৮/১৯) টি দায়ের করেন। মামলার বাদী পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী হস্তান্তরিত বিভাগ হিসেবে জনস্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আহ্বায়ক।
এই বিষয়ে আমলী আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: মোরর্শেদুল আলম আগামী ১১ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট থানাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য চুক্তির আলোকে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগ। জেলা পরিষদের আইন ১৯৮৯ এর ২৩ (খ) ধারার অধীনস্থ এ প্রতিষ্ঠানে বর্তমান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: সোহরাব হোসেন দায়িত্বরত থাকা অবস্থায় কামাল হোসেন বদলী ও পদায়নের ফলে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট সকাল ১১ টায় জেলা পরিষদের কোন যোগদান পত্র ছাড়া তিনি অফিস দখলের চেষ্টার অভিযোগ করা হয় এতে।
এ বিষয়ে পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল বলেন, কামাল হোসেন মিথ্যা ভিত্তিহীন ও গুজব ছড়িয়ে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। তা ছাড়া তিনি পার্বত্য চুক্তি ও পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন লঙ্ঘন করে জোরপূর্বক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ঘটনায় জন্য তাকে আইনি পন্থায় বিচারের আওতায় আনতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।
তবে মামলার বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কামাল হোসেনের কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এর আগে গত ১১ জুলাই কামাল হোসেন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদানের দিন মামলার বাদী জেলা পরিষদের সদস্য পার্থ ত্রিপুুরা জুয়েল ও তাঁর সঙ্গীদের হাতে হেনস্থার শিকার হয়েছেন মর্মে অভিযোগ করেছিলেন।