‘শিক্ষায় বন প্রতিবেশ আধুনিক বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনাসভা, চারা বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান, বৃক্ষমেলা এবং ফল প্রদর্শনী ২০১৯ শুরু হয়েছে। রোববার দুপুরে বন বিভাগ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
এতে অংশ নেন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা অফিসার্স ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। পরে জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
এসময় বলেন, পাহাড়ের মাটি ফলজ, বনজসহ বিভিন্ন জাতের গাছের চারা রোপণের জন্য উপযোগী। ঠিক সময়ে চারা রোপণ ও পরিচর্যা করতে পারলে এখানকার উৎপাদিত বিভিন্ন ফল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা সম্ভব। এছাড়া পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ধস ঠেকাতে ও ছড়া, ঝিরিতে পানির উৎস বাড়োতে সামাজিক বনায়নের বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাহ উদ্দিন, জেলা কৃষি সম্প্রসাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মর্তুজা আলী। পরে ২০১৮ সালে জাতীয় পর্যায়ে খাগড়াছড়িতে উন্নত ফলের জাত, বিলুপ্ত প্রায় ফলের বাগান সৃজন ও প্রসার করে ব্যাক্তিগত পর্যায়ে জাতীয়ভাবে প্রথম স্থান অর্জনকারী কৃষক জেলার মহালছড়ি উপজেলার হ্লাশিং মং চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা। একইসাথে জেলা শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। ৭ দিনব্যাপী মেলায় সরকারি-বেসরকারিভাবে মোট ১৯ টি স্টল অংশ নিয়েছে।
