খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়িতে পালিত হলো কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিন। চলাচল করেনি ছোট বড় কোন ধরনের যানবাহন। বন্ধ ছিল দোকান পাট। কঠোর নজরদারি করছেন আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। সকাল থেকে জেলা শহরের শাপলাচত্বর, পানখাইয়া পাড়া সড়কসহ বিভিন্ন পয়েন্টে রয়েছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। উপজেলাগুলোতেও কঠোর অবস্থানে প্রশাসন।
হাসপাতালে স্থাপিত সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ১৫৬টি পোর্ট থেকে অক্সিজেন সেবা দেয়া হচ্ছে। করোনার বাড়তি আসনগুলোতে সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন দেয়া হবে। হাসপাতালে প্রায় ১৭৭টি অক্সিজেন মজুদ রয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত রোগী সামাল দিতে করোনা ইউনিটের পরিসর বড় করার কথা ভাবছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
গত ২৪ ঘন্টায় ১৬৪জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ৫১.২২ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে জেলা সদরের ৫৭ জন, মাটিরাঙ্গার ৬ জন এবং দীঘিনালায় ৫ জন, রামগড় ৪ জন, মহালছড়ি ২ জন, পানছড়ির ৯ জন ও লক্ষীছড়ি ১জন। জেলায় এখন পর্যন্ত ১০হাজার ৭৮০ জন নমুনা পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে ২হাজার ১২জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছে ১হাজার ৪৬জন। শুধুমাত্র চলতি মাসে ২ হাজার ৮৫০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮৫২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৮.৯০শতাংশ। জেলায় এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু ১৫ জন।
খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন ডা. নুপুর কান্তি দাশ বলেন, আমরা কোন রোগীকে ফেরত না পাঠানোর চেষ্টা করছি। বাড়তি করোনা ওয়ার্ড চালু করা হচ্ছে। সেন্ট্রাল অক্সিজেনের বাইরে মজুদকৃত সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন সেবা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
