চলতি বছর জানুয়ারি মাসের ১৮ তারিখে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলাধীন ৩নং ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মিলনায়তনের পেছনের দেয়াল পুরোটাই ধসে পড়েছিল। যেখানে গ্রাম আদালত হিসেবে এজলাস বসানো হয়েছে। এছাড়া ভবনটির প্রায় সকল দেয়ালে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোন সময় সম্পূর্ণ ভবন ধসে পড়তে পারে এমন আশংকা দেখা যায় ভবনটিতে। এ কারণে আতংকে কাজ করছেন বলে জানান অফিসের সংশ্লিষ্টরা।
কিন্তু ভবনটি ধসে পড়ার এক বছর সময় অতিবাহিত হলেও এটি সংস্কারের কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এখনও। ফলে শতভাগ ঝুঁকির মধ্যে কাজ চলছে জরাজীর্ণ ভবনে। বর্তমানে ভবনটির মিলনায়তন কক্ষ তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু তালাবদ্ধ দরজার অপর পাশে ধসে পড়া দেয়ালটি ফাঁকাই রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, ভবনটি ধসে পড়ার পর ইউএনও’র বরাবর আবেদন করেছি। এ সূত্রে ভবনটির স্টিমেট হয়েছিল। তবে এটির এখনও কোন ইতিবাচক উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আতিয়ার রহমান জানান, ইউপি ভবনটি মেরামতের জন্য স্টিমেট করে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। যদি অনুমোদন হয় তাহলে ভবনটি সংস্কার করা হবে।
উল্লেখ্য, ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি নির্মাণের ৬ বছরেই ধসে পড়ে। বর্তমানে পুরোটাই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। অন্যান্য দেয়ালগুলোতেও বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালে তৎ সময়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২০১০ সালে ৯ জানুয়ারি তখনকার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার (এমপি) এর উদ্বোধন করেন।
