নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে হত্যার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই তার অন্তোষ্ট্রিক্রয়ার যোগ দিতে যাওয়ার মানুষের উপরে বেপরোয়া গুলিবর্ষনে ইউপিডিএফ-গনতান্ত্রিক এর শীর্ষ নেতা, আহ্বায়ক তপনজ্যোতি চাকমা বর্মাসহ অন্তত: ৩ জন নিহত এবং আরো অন্তত: ৯ জন আহত হয়েছে। নিহত আরো দুইজন হলেন,যুব ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা সুজন চাকমা,মহালছড়ি যুব সমিতির সভাপতি তনয় চাকমা।
তপজ্যোতি চাকমা বর্মার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলটির মিডিয়া উইংয়ের দায়িত্বে থাকা লিটন চাকমা।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরও নানিয়ারচর -মহালছড়ি সীমান্তে একটি হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত ও নিহতরা সবাই শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়ায় যোগ দিতে সেখানে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে হামলায় আহতরা। আহতদের মধ্যে আটজনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত: তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি-এমএনলারমার শীর্ষ নেতা সুদর্শন চাকমা।

২ Comments
এই অস্ত্র আসে কোন উৎস থেকে? অস্ত্র ধরা ত্যাগ না করলে এই পরিনতি আসবে। অতএব অসির পরিবর্তে মসির চর্চা করতে হবে।
ভালো খবর!