গত দুদিনে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামার ফলে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে ডুবে গেছে হ্রদের বুকে ভেসে থাকা ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বাভাবিক নিয়মে এসময় কাপ্তাই হ্রদে ৯২ দশমিক ৫২ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) পানি থাকার কথা। কিন্তু রোবাবার দুপুর থেকে পানি ছিল ১০৬ এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। বর্তমানে স্বাভাবিকের চেয়ে হ্রদে ১৫ দশমিক ১৫ ফুট পানি বেশি রয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে উজান থেকে ধেয়ে আসছে পাহাড়ি ঢল।
কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ জানিয়েছেন, ‘এখন হ্রদে ১০৬ এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। তাই বাড়তি পানির চাপ সামলাতে ১৬টি গেট একসঙ্গে খুলে দেওয়া হয়। এতে স্প্রিলওয়েগুলো দিয়ে সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছে।
রাঙামাটি পর্যটন নৌ যান ঘাটের ইজারাদার মো. রমজান আলী জানান, গত দুদিনে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নামার কারনে কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়ছে। এতে সেতুটি ডুবতে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ছয় ইঞ্চি পানিতে ডুবে গেছে সেতুটির পাটাতন। ফলে সেতু দিয়ে পারাপার বন্ধ করা হয়েছে।
রাঙামাটি রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন, ‘রোববার দুপুরের পর থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ঝুলন্ত সেতুটি ডুবে যাওয়ার কারেন দশনার্থীদের কাছে কোন টিকেট বিক্রি করা হচ্ছে না এবং সাথে সাথে সেতুতে চলাচল না করার জন্য নোটিশ দিয়েছি।’
