‘পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘অস্ত্রের মহড়া’ আর ‘অস¦াভাবিক পরিস্থিতি’ থাকলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়’ বলে মন্তব্য করে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বলেছেন, উন্নয়নের মুখে থাকলে শান্তি চুক্তি সহজ ও বাস্তবায়ন হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামই একমাত্র স্থান যেখানে উন্নয়নের বিরোধীতা করে হরতাল পালিত হয়।
শনিবার বিকালে শহরের সুজিত রায় জিমনেসিয়ামে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপি উন্নয়ন মেলার পুরষ্কার বিতরণ ও সমাপনি আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, উন্নয়নের ফলে আজ পাহাড়ি শিশুরা মাতৃভাষায় শিখতে পারছে। এ সরকারের অধীনে নানিয়ারচর সেতুর কাজ শুরু হয়েছে, নানিয়ারচর সেতুটি চালু হলে বাঘাইছড়ি ও নানিয়ারচর উপজেলা অর্থনৈতিক বিপ্লবে রূপান্তারিত হবে। রাঙামাটির দশ উপজেলার মানুষ আজ বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছে। শেখ হাসিনা সরকার ডিজিঢাল বাংলাদেশে আজ জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা নিয়ে গেছে।
এসময় রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান’র সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (সদর) এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিন দিনব্যাপি এ উন্নয়ন মেলায় রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া
উন্নয়ন মেলায় অংশগ্রহনকারী ৭০টি স্টলকে সার্টিফিকেট প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন। আলোকসজ্জা ও উপস্থাপন বিবেচনায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রবাসি কল্যাণ ব্যাংক, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, রাঙামাটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

৬ Comments
লের হা কুতোর বাচ্ছা তুই
দীপঙ্কররে কেউ একটু চুপ করা, এত কথা বলেরে!!!!!
এটা কোন ধরনের মাতলামি !!!!!!!!!
R8.
দীপংকর দার , এটা কি মনের কথা ?
আপ্নি কি গ্যারান্টি দিতে পারবেন
অস্ত্র ছাড়া শান্তি চুক্তি হবে,