নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
শান্তি-সম্প্রীতি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন পর্যটনবান্ধব শহর গড়ে তুলতে আাবারো মেয়র পদে ভোট চাইলেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আকবর হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, পৌরসভার যে উন্নয়ন যজ্ঞ সে উন্নয়ন কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং সুন্দর পৌরসভা গড়ে তুলতে জয়ের বিকল্প নাই। শুক্রবার সকালে রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ১৯ টি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং একই সাথে নয় ওয়ার্ডের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র ও সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য ১৭টি বিষয় তুলে ধরেন।
গত পাঁচ বছরে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজসমূহ হলো- বনরূপা সিএনজি স্টেশন পুলিশ বক্স ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, মানিকছড়িতে পৌর গেইট নির্মাণ, পৌরসভার আধুনিক ভবন নির্মাণ, ফুটপাত নির্মাণ ও টাইলস, পৌর এলাকায় ২৬০টি সোলার লাইট স্থাপন, তবলছড়ির পৌরসভার জায়গায় ভবন নির্মাণ, সেফটি ট্যাংক পরিষ্কারকরণের জন্য ভেকু ট্রাক, ভেদভেদী কিচেন মার্কেট, পৌরসভার ৫০ শতক জায়গা উদ্ধার, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত, বিশেষ ওএমএস কার্ড প্রদান ১৯২০০টি, শিশু খাদ্য প্রদান ৩৪৯১জন, করোনাকালীন ত্রাণ বিতরণ ৩৯০৫ পরিবার, সুবিধাভোগী ত্রাণ ৫৯৭২১ পরিবার, ভূমিধসে সাহায্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা, করোনা ও ভূমিধস দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণ ৫৯৭ মে.টন।
এছাড়া যে ১৯ পরিকল্পনা তুলে ধরা হল সেগুলো হল- এক হাজার আসন বিশিষ্ট পৌর অডিটরিয়াম, ফিসারি বাঁধ নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন, শহরের বাইরে পরিবেশবান্ধব ডাম্পিং গ্রাউন্ড নির্মাণ, ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ, ১০টি স্থানে ওয়াইফাই, উপবৃত্তির চালু, অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান, শহর সবুজায়ন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সিসিটিভি স্থাপন, ওয়ান স্টেপ অনলাইন কল সেন্টার স্থাপন, শহর মাদকমুক্ত, কিচেন মার্কেট নির্মাণ, এলাকাভিত্তিক নিরাপত্তা গেইট নির্মাণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে সড়কের নামকরণ, ডিজিটাল জায়ান্টস্ক্রিন স্থাপন এবং বিগত সময়ে অসমাপ্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।
সংবাদ সম্মেলনে আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, গত পাঁচ বছর আমি যে উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছি, ২০১৭ সালে ভূমিধসের কারণে চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত হয়। তারপরও আমি উন্নয়ন কাজ চালু রাখতে সর্বদা চেষ্টা করেছি। অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য আবারো আগামী মেয়াদে মেয়র পদে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি চিং কিউ রোয়াজা ও হাজি কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হাজি মুছা মাতব্বর, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি সোলাইমান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলী।
