ইয়াছিন রানা সোহেল
রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের মত নির্বাচিত হয়েছেন ১নং ওয়ার্ডে মো. হেলাল উদ্দিন ও ৮নং ওয়ার্ডে কালায়ন চাকমা। বিগত নির্বাচনে নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হয়েছিলেন এই দুই প্রার্থী। ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মত প্রতিদ্বন্দিতা করেই বিজয়ী হয়েছিলেন তারা।
মো. হেলাল উদ্দিন রিজার্ভ বাজারের ১নং ওয়ার্ডস্থ পোড়াপাহাড় এলাকার বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত। একইসাথে বৃহত্তর রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১১ সালে প্রথমবারের মত পৌরসভা নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছিলেন। আশীষ দাশগুপ্তকে পরাজিত করে তিনি প্রথমবারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে হেলাল উদ্দিন ২১৩২ ভোট এবং আশীষ দাশগুপ্ত পেয়েছিলেন ১৫৭৩ ভোট। এরপর তিনি প্যানেল মেয়র হিসেবেও নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালের নির্বাচনে রমজান আলীকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হয়েছিলেন মো. হেলাল উদ্দিন। ২০১৫ সালে হেলাল উদ্দিন পেয়েছিলেন ২১৬৩ ভোট এবং রমজান আলী পেয়েছিলেন ১৫৮৯ ভোট।
রাঙামাটি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের উত্তর কালিন্দিপুর এলাকার বাসিন্দা কালায়ন চাকমা। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কালায়ন চাকমা পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও জড়িত কালায়ন। ২০১১ সালে প্রথমবারের মত ৮নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বিমল বিশ্বাসকে মাত্র ৪২ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৫ সালের নির্বাচনেও একই প্রতিদ্বন্দ্বীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হন কালায়ন চাকমা। ২০১৫ সালে কালায়ন চাকমা পেয়েছিলেন ৪২৩৪ ভোট ও বিমল বিশ্বাস পেয়েছিলেন ১৮১০ ভোট।
রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডে মো. হেলাল উদ্দিন ও ৮নং ওয়ার্ডে কালায়ন চাকমা টানা তিনবারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করেছেন।
