মিল্টন চাকমা, মহালছড়ি
খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে স্থগিত কেন্দ্রের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে মাইসছড়ি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাগ্য। গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মহালছড়ি উপজেলায় চারটি ইউনিয়নের মধ্যে ৩টি ইউনিয়নের বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় মাইসছড়ি ইউনিয়নের মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রটি স্থগিত করা হয়। ফলে ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। একইভাবে সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদেও বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি।
মাইসছড়ি ইউনিয়নে ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮টি কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে সাজাই মারমা ৩ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে গিয়াস উদ্দিন লিডার পেয়েছেন ২ হাজার ১২২ ভোট। এখন যেই হোক জয়ী হতে ওই কেন্দ্রের ভোটারদের ভোট পেতে হবে।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন লিডার বলেন, স্থগিত হওয়া কেন্দ্রটি আমার নিজের এলাকার এবং সবাই আমাকে ও নৌকা প্রতীককে ভালোবাসে তাই আমি জয়ের জন্য আমি শতভাগ আশাবাদী। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজাই মারমা বলেন, বিগত সময়ে সকল সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করেছিলাম। তাই বাঙালি ও পাহাড়ি সবাই আমাকে ভালোবাসেন। ঘোষিত ফলাফলে এখনো এগিয়ে আছি এমনকি নির্বাচন হলে ওই কেন্দ্রেও আমি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জয়ী হবো।
মহালছড়ি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সুসমিকা চাকমা বলেন, ঘোষিত ফলাফলে দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধানের তুলনায় স্থগিত ভোট কেন্দ্রের ভোট বেশি। এ কারণে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা যায়নি। স্থগিত কেন্দ্রে কবে ভোটগ্রহণ কবে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের তারিখ কবে ঘোষণা করা হবে সেটা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। নির্বাচন কমিশন থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর স্থগিত ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
