পার্বত্য চট্টগ্রামের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু বলেছেন, বর্তমান সরকার মৎস্য’সহ সকল সেক্টরের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলে বিশ্বে মৎস্য উৎপাদন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে। কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলের ঘোনাগুলোতে ক্রীক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষ প্রকল্পটি বন্ধে একটি কুচক্রী মহল উঠেপরে লেগেছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় এ প্রকল্পটি পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, এ প্রকল্পটির মাধমে পাহাড়ের মৎস্যচাষীরা আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি বাইরের জেলায় রপ্তানি করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত করার। তার সুযোগ্য কণ্যা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরনে কাজ করে চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নিরক্ষর জাতিগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করন, কৃষি, স্বাস্থ্য’সহ সার্বিক উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে বর্তমান সরকার। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ২০২১ ও ২০৪১ সালের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শনিবার সকালে রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৮ এর মূল্যায়ন, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াছিন। অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেলাল হোসেন, মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউটের উপকেন্দ্র প্রধান ও উদ্ধর্তন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী বেলাল উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী, এই কথার ঐতিহ্যকে আবার ফিরিয়ে আনতে যুব সমাজকে এগিেেয় আসতে হবে। তিনি বলেন, পাহাড়ের যে সমস্ত পুকুর, জলাশয় ও ঘোনাগুলো রয়েছে সেগুলোতে মাছ চাষ করে যুবরা স্বাবলম্বী হতে পারে। এ জন্য সরকার যুবদের সবসময় সহযোগিতা করছে। সরকারের সুযোগ ও সহযোগিতাগুলোকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
পরে রাঙামাটির বিভিন্ন উপজেলার তিনজন মৎস্যচাষীদের মাছচাষে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মননা ক্রেষ্ট প্রদান করেন অতিথিরা।
