খাগড়াছড়িতে প্রায় আড়াই হাজার নিরীহ বাঙালিকে হত্যার অভিযোগ এনে গণহত্যার দায়ে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমার বিচার দাবি করেছে বাঙালি ছাত্র পরিষদ।
রবিবার সকালে জেলা শহরের শাপলা চত্ত্বরে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ থেকে এমন অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে অসংখ্য হত্যাকান্ডের মধ্যে অন্যতম হল ১৯৮৬ সালের ২৯ এপ্রিলে খাগড়াছড়িতে সংঘটিত তিনটি গণহত্যা। এদিনে জেলার পানছড়ি, দীঘিনালা ও মাটিরাঙায় ২ হাজার ৪শ’ ৩৫ জনের অধিক নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করে তথাকথিত তৎকালীন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন শান্তিবাহিনী। এ ঘটনায় প্রায় ১ হাজার বাঙালি গ্রামে অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ, বাঙালি নারীদের ধর্ষণ ও পরে হত্যা করে নারকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সশস্ত্র শান্তিবাহিনীর সদস্যরা।
বক্তারা আরও বলেন, ঐদিন হত্যাই করেনি, প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে চরম অমানবিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল তারা।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মাঈন উদ্দীন, যুগ্ন আহ্বায়ক এসএম মাসুম রানা, বৃহত্তর পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের জেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মো. মহিউদ্দীন প্রমূখ।
বক্তারা, ১৯৮৬ সালের ২৯ এপ্রিলে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা, নিহতদের স্মরণে শহীদ মিনার স্থাপন ও তাদের নামের তালিকা করে তা সংরক্ষণ করাসহ সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে হত্যাকান্ডের ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

৪ Comments
সন্তুুলার মার ফাসি চাই
সন্তু লারমা কি করেছে ভাই??
ধন্যবাদ ভাই আপনা কে। হানা হানি মারা মরি চাদা গুম খুন এইটা কি ঠিক নাকি ভাই???
আমরা সবাই কুত্তা চুদা সেটেলার