নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
রাঙামাটি শহরে হঠাৎ করে চোরের প্রকোপ বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিরাতেই চুরি করে নিচ্ছে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী। শনিবার মধ্য রাত ২.৩০ থেকে ৩:০০ টার মধ্যে তবলছড়ি পোস্ট অফিস কলোনী এলাকায় রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম পত্রিকার চিফ রিপোর্টার সাংবাদিক সৈকত রঞ্জন চৌধুরীর বাসায় একদল চোর খাবারের পানির মোটর, পাইপ ও বিদ্যুতের তার কাটার পর বাসার দরজা ভেঙ্গে ঢুকার চেষ্টা করার সময় বাড়ির সদস্যরা ঘুম থেকে জেগে চিৎকার করলে মোটর, পাইপ ও বৈদ্যুতিক তার ড্রেনে ফেলে পালিয়ে যায় চোরের সংঘবদ্ধ দল। অন্যদিকে একই এলাকার বিধান চক্রবর্তীর বাসা থেকে একইদিন মোটর কেটে তুলে নিয়ে চলে যায় সংঘবদ্ধ চোরের দল।
রবিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সাংবাদিক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী। যদিও রবিবার বিকাল ৫ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযোগ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেনি কোতয়ালী থানা। এমনকি কোন তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনেও যায়নি।
চুরির ঘটনা নিয়ে সৈকত রঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাতে আমরা ঘুমাচ্ছিলাম এমন সময়ে অজ্ঞাতানামা চোর মোটরের পাইপ কাটা শব্দ পেলে ঘুম থেকে বুঝার চেষ্টা করছিলাম শব্দটা কিসের। এমন সময় তারা যখন দরজা ধাক্কা দিয়ে খোলার চেষ্টা করেছেন তখন চিৎকার করে কে জানতে চাইলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যান। আশপাশের মানুষসহ দরজা খুলে দেখে মোটর তুলে পাইপ, বৈদ্যুতিক তার কেটে সব ড্রেনে ফেলে দিয়ে গেছে। এলাকায় বেশকিছু মাদকসেবী ও বখাটে ছেলের পাশাপাশি বাইরের এলাকার কোন চোর এমন ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে। আমি রাতেই কোতয়ালী থানা বিষয়টি অবহিত করি এবং সকালে ওসির সাথে কথা বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করি।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, সাংবাদিক সৈকত আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং থানায় একটি অভিযোগ দিয়ে এসেছেন। আমরা তদন্ত করবো এখনো অভিযোগটি মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়নি।
