হেফাজত সবুজ ॥
‘জীবন আনন্দে মিলব মোরা, ছুটে ছুটে আয়’ এই শ্লোগানে বছরের প্রথম দিনে মিলিত হন ১৯৭৮ সালে পাশ করা এসএসসি ব্যাচ। শনিবার সকালে শহরে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একে একে সকলে এসে উপস্থিত হয় উন্নয়ন বোর্ড প্রাঙ্গণে। সেখানে বেলুন উড়িয়ে এই মিলন মেলার উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ব্যাচ সদস্য নিখিল কুমার চাকমা। পরে র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি প্রধান সড়ক হয়ে শহিদ মিনার ঘাটে গিয়ে শেষ হয়। সেখান থেকে তারা লঞ্চ যোগে যান বার্গি রিসোর্টে।
মিলম মেলায় আগতরা বয়সের বেড়া জাল ছিন্ন করে ফের ফিরে যান সেই কৈশরে। সবাই সবাইকে আলিঙ্গন করে। কেউ কেউ একে অন্যকে চিনতে না পেরে জেনে নিলেন নাম পরিচয়। পরক্ষণে স্মৃতিচারণ ‘সেই তুই যে এমন ছিলি, ওটা করতি, ওটা করতি আরও কতকি।’
এই মিলন মেলায় পরিচিতজনদের মধ্যে ছিলেন অররেন্দু ত্রিপুরা, অভয় কুমার চাকমা, দীপেন দেওয়ানসহ আরও অনেকেই। বার্গিতে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কারও কারও কণ্ঠ ভার হয়ে আসে। তারা যেন খুঁজে ফিরেছে সেই কৈশরকে। বদলে গেছে সকল প্রেক্ষাপট। বয়স আজ টেনে দিয়েছে অনেক সীমারেখা, তারপরও যেন ধমে যাবার পাত্র নন তারা। হাসি ঠাট্টা, স্মৃতিতে বিভোর ছিলেন সারাদিন।
বন্ধুদের এমন আয়োজন মিস করতে চাননি অনেক উচ্চপদস্থ কর্তারাও। তাইতো হাজারো কাজের মাঝেও ঠিক সময় বের করে নিয়েছেন। তেমনই একজন হচ্ছেন রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ। তিনিও যেন ফিরে গিয়েছিলেন তাঁর কৈশরে। ভেদাভেদ ভুলে বন্ধুদের সাথে দিনটিকে নিজেদের করে নিয়েছিলেন।
