রাঙামাটি শহরের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন খানাখন্দ-ভাঙা সড়ক শীঘ্রই মেরামত করা হবে ঘোষণা দিয়েছেন রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী। এসব সড়ক সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে দরপত্র আহŸান সম্পন্ন করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। নাগরিকদের সচেতনা বৃদ্ধি দুর্যোগ মোকাবিকায় কাজ করতে পৌরসভা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাঙামাটি পৌরসভাকে প্রাকৃতিক বা মানব সৃষ্ট দুর্যোগ থেকে রক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ধার তৎপরতা বৃদ্ধি করার কৌশল নির্ধারণ বিষয়ে পিডিএমসির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার সকালে রাঙামাটি পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল রেজিলিয়েন্স প্রোগামের আয়োজনে রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কমিটির এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘কভিড-১৯, পাহাড়ধস ও ভূমিকম্প’। সভায় বক্তারা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কার, পাহাড়ধসের পর ধসে যাওয়া অংশ সংস্কার, শহরের মাটির নীচে বর্তমান অবস্থা নিরূপন, দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করার উপর জোর দেন।
এসময় পৌরমেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, পাহাড়ধস ও করোনা মোকাবিলায় পৌরসভা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সকল স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে যাতে যেকোন দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবকনরা কাজ করতে পারে সে জন্য সমন্বয় করা হবে। রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রায় সব দরপত্র আহŸান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আশাকরি শহরের প্রায় সব সড়কগুলো যেগুলো মেরামত প্রয়োজন তা করা হবে। একই সাথে পৌরসভার শহরের সাথে বিচ্ছিন্ন যে দ্বীপগুলো আছে সেসব এলাকার সাথে শহরের যোগাযোগের জন্য ছোট ছোট কিছু ব্রিজ নির্মাণ করার প্রস্তাবনাও দেওয়া হয়েছে যার মধ্য দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যপক পরিবর্তন হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- মনিরুজ্জামান মহসিন রানা, আনোয়ার আল হক, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার উদয়ন চাকমা, ন্যাশনাল রিজিলিয়েন্স প্রকল্পের টেকনিক্যাল সহকারী আশরাফুল আলম প্রমুখ।
