ইয়াছিনুল হাকিম চৌধুরী, বান্দরবান ॥
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নদী, পাহাড়, ঝর্ণা আর অসংখ্য পর্যটনস্পট ভ্রমণে প্রতিদিন আসে দেশি বিদেশি পর্যটক। এবার পর্যটকদের বিনোদনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পর্যটন মৌসুম চলাকালীন সময়ে প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ঘন্টাব্যাপী বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হচ্ছে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পর্যটন মৌসুম চলাকালীন সময়ে প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যায় এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার অনুষ্ঠান চলবে বলে জানান বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.কায়েসুর রহমান। তিনি আরো জানান, বান্দরবানে বেড়াতে এসে পর্যটকরা যাতে আরো স্বাছন্দ্য পেতে পারে সেজন্য এই আয়োজন করা হয়েছে এবং পর্যটকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের মাধ্যমে এই আয়োজন চলবে।
বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, বান্দরবানের কৃষ্টি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ। এই এলাকায় রয়েছে ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আর তার সাথে অবস্থান করছে অসংখ্য বাঙালি সম্প্রদায়ের জনসাধারণ। সম্প্রীতি আর উন্নয়নে এই জেলা এখন বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, বান্দরবানের পর্যটন বিকাশে জেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে, পর্যটকরা যাতে বান্দরবান এসে আনন্দ ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য জেলা প্রশাসন পরিচালিত প্রান্তিক লেক, মেঘলা, নীলাচল ও চিম্বুক পর্যটনকেন্দ্রকে আরো আধুনিক করা হয়েছে এবং এবার পর্যটকদের বিনোদনে এবং পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কয়েক ঘন্টাব্যাপী বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজন করা হচ্ছে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর এতে বাঙালিদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মারমা, চাকমা, বম, লুসাই, ত্রিপুরাসহ ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ফুটে উঠবে।
