এবার পার্বত্য জেলাসমূহ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন খাগড়াছড়ির বাসন্তী চাকমা। তিনি ওই জেলার মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রান্সের একজন ট্রাস্টি।
শুক্রবার গণভবনে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভার পর তাদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বাসন্তী চাকমা ছাড়াও আরো যারা আওয়ামীলীগের সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন-কুমিল্লার আন্জুম সুলতানা, বরগুনার সুলতানা নাদিরা, জামালপুরের হোসনে আরা, গাজীপুরের রুমানা জলি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, নেত্রকোণার হাবিবা রহমান খান (শেফালী), পিরোজপুরের শেখ এ্যানি রহমান, টাঙ্গাইলের অপরাজিতা হক, সুনামগঞ্জের মোসাম্মৎ শামীমা আক্তার খানম, গাজীপুরের শামসুন্নাহার ভুঁইয়া, মুন্সীগঞ্জের ফজিলাতুন নেসা, নীলফামারীর রাবেয়া আলিম, নরসিংদীর তামান্না নুসরাত বুবলি, গোপালগঞ্জের নার্গিস রহমান।
ময়মনসিংহের মনিরা সুলতানা, ঢাকার নাহিদ ইজহার খান, ঝিনাইদহের মোছাম্মত খালেদা খানম, বরিশালের সৈয়দা রুবিনা মীরা, চট্টগ্রামের ওয়াসিকা আয়েশা খান, পটুয়াখালীর কাজী কানিজ সুলতানা, খুলনার এডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার।
দিনাজপুরের জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালীর ফরিদা খানম (সাকী), খাগড়াছড়ির বাসন্তী চাকমা, কক্সবাজারের কানিজ ফাতেমা আহমেদ, ফরিদপুর রুশেমা বেগম, কুষ্টিয়ার সৈয়দা রাশিদা বেগম, মৌলভীবাজারে সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহীর আদিবা অঞ্জুম মিতা, খুলনার শিরিনা নাহার, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফেরদৌসী ইসলাম জেসি ও শরীয়তপুরের পারভীন হক সিকদার।
একাদশ জাতীয় সংসদে পাহাড়ের তিন আসন থেকে নৌকা প্রতীকে তিন নেতার বিজয়ী হওয়ার পর এই নারীকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করায় পাহাড়ে এখন চারজন সংসদ সদস্য ক্ষমতাসীন দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
