খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কমিটিতে থাকতে না পারায় আন্দোলনে নেমেছে খাগড়াছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র। রোববার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংএ এমন কথা জানান পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।
তিনি বলেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চঞ্চু মণি চাকমা ও পৌর মেয়র রফিকুল আলমকে খাগড়াছড়িবাসীর কাছে নতুন করে পরিচিত করার কিছু নেই। তাঁরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এসব করছে। স্বতন্ত্র থেকে এখন আওয়ামীলীগ পরিচয়দানকারী মেয়র রফিক এখন সেই ইউপিডিএফের সাথে হাত মিলিয়েছে যারা কিনা খাগড়াছড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে বানচাল করার চেষ্টা করেছে।
প্রেস ব্রিফিংএ এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান, জেলা পরিষদের সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা, সতিশ চন্দ্র চাকমা, নির্মলেন্দু চৌধুরী, শতরুপা চাকমা, নিগারা সুলতানা প্রমুখ।
চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী আরো বলেন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ হলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন। কিন্তু পার্বত্য জেলা পরিষদ হচ্ছে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। এখন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র পরিষদের উন্নয়নের ভাগ চাই। যেটি আমাদের দেয়ার কোন সুযোগ নেই।
আগামী ১৮ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত মৌখিক পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে আরেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ঘেরাও কর্মসূচি দিয়ে সরকারি কাজকে বাধাগ্রস্ত করেছে। যা জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাঠ করা শপথের পরিপন্থি।
তিনি বলেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক শূন্যপদের সংখ্যা ৩৫৮টি। এরমধ্যে ৩০ শতাংশ হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাবে ১০৭টি। বাকী পথগুলো সাধারণ। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় লিখিত পরিক্ষায় পাশ করেছে ৩৮জন। সেক্ষেত্রে মৌখিক পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে সকল প্রার্থীই চাকুরী পেতে পারে। অবশিষ্ট ৬৯টি পদ সংরক্ষণ করা হবে।
প্রেস ব্রিফিং এ ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, পরিক্ষার ফল অনুযায়ী লক্ষ্মীছড়িতে সাধারণ কোটায় ১৫টি পদের বিপরীতে ৬০জন নেয়া যেত। কিন্তু প্রার্থী পাওয়া গেছে ২৪জন। একইভাবে মানিকছড়িতে ৩০টি পদের বিপরীতে ১২০জন নেয়ার কথা থাকলেও প্রার্থী পাওয়া গেছে ৬১জন। শুধু সদর উপজেলায় ৩০টি পদের বিপরীতে ১৩৩জন প্রার্থী পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বিভিন্ন উপজেলায় সকল সম্প্রদায়ের লোক না থাকায় প্রার্থী কম উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রেস ব্রিফিং থেকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত খবরের কোন ভিত্তি নেই বলেও জানানো হয়।

৪ Comments
Ey leka ta leke tui koto vagk peyesis bhol.
Ey leka ta leke tui koto vagk peyesis bhol.
ভাগ মানে কি???তাহলে কি সত্যি সত্যি অবৈধ ভাবে ঘুষ দিতে হয়???
সরকারী চাকুরী প্রজা সকলের অধিকার ভাগের কথাবলা নিয়োগ কতৃপক্ষের দুর্বলতা।