বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মিয়ানমমার সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-মাদক চোরাকারবারীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এসময় মাদক পাচারকারী চক্রের ১ রোহিঙ্গা সদস্যের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ৮০ হাজার পিচ নিষিদ্ধ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাড়ি সীমান্তে গোদাপাড় এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পেট্টোল টিম অভিযান চালায়। এসময় মাদক চোরকারকারীরা বিজিবি’কে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় মাদক পাচারকারী চক্রের ১ সদস্যের মৃত্যু হয়। নিহতের নাম আব্দুর রহমান (২৫)। সে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দার বলে জানাগেছে। অন্যরা পিছু হটে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিজিবি ৮০ হাজার পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১টি একনলা বন্দুক, ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে। বিজিবি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিজিবি ৩৪ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে: কর্ণেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালানের খবর পেয়ে অভিযানে যান বিজিবি। ঘটনাস্থলে পৌছালে চোকারবারীরা চক্র বিজিবি’কে গুলি বর্ষণ করেছে। বিজিবিও গুলি চালালে দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে ১ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ১টি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং ৮০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা এবং চোরাচালান বন্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, বাইশফাড়ি সীমান্তে চোরকারবারীর সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলিতে নিহত মাদক পাচারকারীর লাশ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো মামলা হয়নি।
প্রসঙ্গত: ঘুমধুম ইউনিয়নের বিভিন্ন সীমান্তে এবছর আরও দু’দফায় বিজিবি-মাদক চোরাকারবারীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আগের ঘটনায় ৩ জন চোকারবারীর নিহত এবং কয়েকজন বিজিবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়।
