দীঘিনালা প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় গত ৪দিনের টানা বর্ষনে ও পাহাড়ি ঢলে মাঈনী নদী তীরবর্তী দুই কুল প্লাবিত হয়েছে, তলিয়ে গেছে নিন্মাঞ্চল। উপজেলার মেরুং ও কবাখালি ইউনিয়নের প্রায় ৭শতাধীক পরিবারের ঘর-বাড়ি তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগন।
এছাড়া ছোটমেরুং বাজারটি পানির নিচে এবং বড়মেরুং হেডকোয়ার্টার নামক এলাকার সড়ক ডুবে যাওয়ায় দীঘিনালার সাথে ছোটমেরুং এবং লংগদুর সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ন বন্ধ হয়ে গেছে।
এর মধ্যে মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ছোটমেরুং বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে ৪৮ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। এদেরকে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ্য থেকে শুকনা খাবার দেওয়া হচ্ছে। (সোমবার দুপুরে) দীঘিনালা সেনা জোনের পক্ষ্য থেকে জোন অধিনায়ক লে: কর্ণেল রুমন পারভেজ পিএসসি আশ্রিতদের মাঝে খিচুরি বিতরন করেছেন। এছাড়া বন্যাকবলিত এলাকা প্ররিদর্শন করেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজি মোহাম্মদ কাশেম।
মেরুং ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম লাকি জানান, বেতছড়ি আশ্রয় কেন্দ্রে ২০ পরিবার এবং ছোটমেরুং আশ্রয়কেন্দ্রে ২৮ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে, তলিয়ে গেছে প্রায় ৫শতাধীক পরিবারের ঘর-বাড়ি। কবাখালি ইউপি চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা জ্ঞান জানান, তিনটি গ্রামের প্রায় ২শতাধীক পরিবারের ঘর-বাড়ি তলিয়ে গেলেও তারা আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ায় কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে নেই।
