ডেস্ক রিপোর্ট॥
পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ এবং বনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকা জড়িয়ে আছে। জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের যেকোন অঞ্চলের চাইতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন। জাতীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে বিরূপ প্রভাব পড়বে এবিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে এখনও জাতীয় পলিসি তৈরি হয়নি। জাতীয় পলিসি তৈরির আগে ইউএনডিপির সহযোগিতায় স্থানীয় পর্যায়ে পলিসি নির্ধারণে তিনজন কনসালট্যান্ট তিনটি বিষয়ের ওপর কাজ করেছেন। যা এখানে উপস্থাপন করা হবে। এধরনের কর্মশালায় তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা অংশগ্রহণ করতে পারলে ভালো হতো। তারপরেও এধরণের উদ্যোগ ভবিষ্যত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইন সিএইচটি (এসআইডি-সিএইচটি)-ইউএনডিপি’র আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় স্থানীয় পর্যায়ে পলিসি নির্ধারণ সংক্রান্ত দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য নুরুল আলম, বরকল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিধান চাকমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সিয়ং খুমি, বনবিভাগের কর্মকর্তা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য, পরিবেশ কর্মী এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় তিনজন কনসালট্যান্ট তাদের পেপার আলোচনার জন্য উপস্থাপন করেন। সিএইচটি ক্লাইমেট চেঞ্জ একশান পলিসির ওপর প্রেজেন্ট করেন কনসালট্যান্ট জাকির হোসাইন খান, সিএইচটি ক্লাইমেট রেজিলেন্স ফ্রেমওয়ার্ক এর ওপর প্রেজেন্ট করেন কনসালট্যান্ট জনাব সামশুদ্দোহা এবং সিএইচটি ওয়াটার ইনফ্রাস্ট্রাকচার এর ওপর প্রেজেন্ট করেন কনসালট্যান্ট ড. মুন্সী রাশিদ আহমেদ।
