নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
সারাদেশের ন্যায় পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতেও শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা। ১৪ তারিখ মধ্যরাত রাত থেকে শুরু হওয়া এ শুমারি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। এই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের আয়োজনে শহরের পৌরসভা থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুর উজ জামান, তথ্য সংগ্রহকারীগণ এসময় র্যলিতে অংশ নেন।
জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের সূত্র থেকে জানা যায়, ১৪ তারিখ রাত ১২টা থেকে ভাসমান মানুষের তথ্য সংগ্রহের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে জনশুমারির কাজ। এবারের শুমারিতে একজন মানুষের কাছ থেকে মোট ৩৫ ধরনের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। কোনও পরিবারের সদস্য বিদেশে থাকলে তাকেও গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সবশেষ ২০১১ সালের জনশুমারি মতে রাঙামাটিতে জনসংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৯৭৯ জন।
জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নুর উজ জামান জানান, একজন গণনাকারী প্রতিটি খানার তথ্য নিয়ে তার ট্যাবে থাকা প্রশ্নপত্র পূরণ করবেন। প্রতিটি প্রশ্নপত্র পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের ডাটা সেন্টারে জমা হবে। সেখান থেকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডাটা সেন্টারে জমা হবে। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রকল্পের আওতায় গৃহের সংখ্যা ও ধরন, বাসস্থানের মালিকানা, খাবার পানির প্রধান উৎস, টয়লেটের সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা, রান্নার জ্বালানির প্রধান উৎস এসব তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।
এর মাধ্যমে প্রবাসীদের সঠিক সংখ্যা এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশিদের সংখ্যা জানা যাবে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
