শ্যামল রুদ্র, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ির রামগড় পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সংরক্ষিত স্থান থেকে বিশালাকৃতির দুটি করই গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়,এই কার্যালয়ের কার্য সহকারী নাছির উদ্দীন গাছগুলো কেটে নিয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি কোন নিয়ম অনুসরণ না করে পুরোনো দুইটি করই গাছ কাটা হয়। এ ব্যাপারে দাপ্তরিকভাবে লিখিত এবং বন বিভাগের কোনো অনুমতি নেই বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের আশপাশে বসবাসরত কয়েকজন স্থানীয় জানান, কমপক্ষে ১৫ দিন আগে এখানে কর্মরত কার্য সহকারী নাছির উদ্দিন লোকজন নিয়ে গাছগুলো কাটে। পরে রামগড় বিদ্যুৎ বিতরণ সেবা কার্যালয় সংলগ্ন স’মিলে চিরানোর পর নাছিরের বাড়িতে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর ভাষ্য, নিয়ম মেনে কাটা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। অত্যন্ত সতর্কভাবে গাছ কাটায় বিষয়টি এতোদিন জানাজানি হয়নি। গোপন সূত্রে মঙ্গলবার সংবাদকর্মীরা বিষয়টি জেনে যান। পরে খোঁজ খবর নিয়ে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া যায়।
স-মিল কর্মচারী সূত্র জানায়, গাছগুলো পুরোনো ও বয়ষ্ক হওয়ায় এর বাজার মূল্য প্রায় লাখ টাকা। কিছুদিন আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য-সহকারী নাছির উদ্দীন স’মিলে চিরানোর জন্য গাছগুলো নিয়ে আসে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত নাছির উদ্দিন বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে গাছগুলো কাটা হয়েছে। গাছগুলোর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে আরও জানতে রামগড় পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে গেলে কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। তবে এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা দীবাংশু চাকমার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে গাছ কাটার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।
রামগড় উপজেলা বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুলতানুল আজিম বলেন, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া সরকারি জায়গার গাছ কাটা যায় না। পানি উন্নয়ন বোর্ড গোপনে কাজটি করেছে। আমাদের জানানো হয়নি।
