সুহৃদ সুপান্থ
ইতোমধ্যেই জেলা আওয়ামীলীগের ‘চাপে’ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দুই হেভিওয়েট নেতার হেভিওয়েট প্রার্থী। দৃশ্যত ‘পদ বাঁচাতে’ নিজের পুত্র ও ভাতিজাকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা সভাপতি আব্দুর বারেক সরকার ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রহিম। ভোটের মাঠ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মাইনীমুখের এরশাদ সরকার ও গুলশাখালির রকিব হোসেন। ফলে পাঁচ ইউনিয়নের ছয় বিদ্রোহীর দুইজন সরে যাওয়ায় এখনো ভোটের মাঠে রয়ে গেছেন আরো চার বিদ্রোহী। কিন্তু ‘শত চাপেও’ ভোটের মাঠ থেকেও না সরার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন তারা চারজন।
মাইনী ইউনিয়নের প্রার্থী কামাল হোসেন কমল জানিয়েছেন, আমি ভোট থেকে সরার প্রশ্নই আসেনা। তারা যত চাপই দিক কাজ হবেনা। কারণ তাদের চাপের চেয়েও আমার কাছে জনগণের ভালোবাসাই মূল শক্তি। আমি দলের খাইও না,পরিও না,প্রকল্পও খাই নাই। কাজ করে ভাত খাই। যদি নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয়,তবে অবশ্যই আমি জয়লাভ করব ইনশাল্লাহ।’
বগাচতর ইউনিয়নের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী বোরহান উদ্দিন বলছেন, ‘ মৃত্যু ছাড়া কোন কিছুই আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবেনা। আমি ভোটের মাঠে আছি,থাকব। নির্বাচন ঠিকঠাক হলে জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী আমি।’
নির্বাচনের মাঠ থেকে সরবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ভাসাইন্যাদাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হযরত আলী। তিনি বলেছেন, প্রশ্নই আসেনা নির্বাচন থেকে সরার। আমি নির্বাচনে আছি এবং থাকব শেষ পর্যন্ত। ইনশাল্লাহ জয়ী হয়েই ঘরে ফিরব।’
ভোটের মাঠ থেকে না সরার কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন লংগদু ইউনিয়নের প্রার্থী কুলিনমিত্র চাকমা আদু। তিনি জানিয়েছেন, আমি জনগণের অনুরোধে প্রার্থী হয়েছি,জনগণের অনুরোধ ছাড়া অন্য কারো অনুরোধে নির্বাচন থেকে সরব না। আমি ভোটের মাঠে আছি, আশা করছি জয়ী হব।’
চারপ্রার্থীর স্পষ্ট ঘোষণার পাশাপাশি অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই চার প্রার্থীই বেশ ভালো অবস্থানেই আছে প্রচার প্রচারনায়। এদের মধ্যে অন্তত দুই জনের জয়ের সম্ভাবনাও প্রচুর,বাকিদের জয়ও অস্বাভাবিক নয়। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে নির্বাচন কতটা অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হচ্ছে তার উপর।
