খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়িতে এক পাহাড়ির জায়গার ওপর নির্মিত একটি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়ে, অন্য একটি ঘর ধারালো অস্ত্র দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করাসহ ফলজ বাগান কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় দুষ্কৃতকারীরা সীমানা পিলার উত্তোলন ও তারকাটার নিয়ে যায়। খাগড়াছড়ি জেলা সদরের উত্তর সবুজবাগ (অনন্ত মাস্টার) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত জসিম, সাহাদাত, রাজ্জাক, শাহিন, রঞ্জু মিয়া, আল-আমিন, সালা উদ্দিনসহ আরো অজ্ঞাত নামা ব্যাক্তিদের আটকের দাবি জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার মালিক জ্যোতিষ জ্ঞান চাকমা।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও এ সময় তিনি জানান। এদিকে- চাঁদা দাবি ও অগ্নিযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত জসিম, সাহাদাত এর সাথে অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনার সাথে তারা জড়িত নয়।
খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, উল্লেখিত বিষয়ে থানার কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
জানা যায়, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়নের পেরাছড়া মৌজাস্থ ১২ নম্বর এলাকায় (বিজিবি সেক্টর হেডকোয়ার্টারের পাশে) ঐ পাহাড়ি গ্রামবাসীর সৃজিত মিশ্র ফলজ বাগানের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছে।
চক্রটি চাঁদা না পেয়ে রবিবার গভীর রাতে ঐ জায়গায় প্রবেশ করে বাগানের জন্য সৃজন করা গাছগুলো কেটে ধ্বংস করে দেয়। একই সাথে বাগানের নির্মিত খামার ঘরে অগ্নিসংযোগ ও আরেকটি ঘর ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত মালিক জ্যোতিষ জ্ঞান চাকমা। তিনি ঘটনার সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার পূর্বক ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একই সাথে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাগানে বেড়ার জন্য ব্যবহৃত ১০০টি পিলার, বেড়ার ১৭টি জি আই তারের নেট খুলে নিয়ে গেছে। এছাড়া বাগানে রোপণ করা ৫০০ টি সুপারি চারা, ৫০০টি পেঁপে গাছ, ৯ প্রজাতির ৩০০টি কলা গাছ, ৫০০টি সিটলেস লেবু গাছ কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে।
