চট্টগ্রামে ইউনাইঢেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের সহযোগী সংগঠনের ৩ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোররাতে চট্টগ্রামের ইপিজেড ও বায়েজিদ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক সুকৃতি চাকমা (৪০), বন্দর থানার সভাপতি কান্তময় চাকমা (৩৫), পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জিকু চাকমা (২৫)।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে নানিয়ারচরের ৬ খুনের মামলার তথ্য সাপেক্ষে রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার উপপরিদর্শক সৌরজিৎ
বড়–য়া ও গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক আহসানুজ্জামানের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের ইপিজেট ও বায়েজিত এলাকা থেকে তাদের তিনজনকে করা হয়। আটকৃতরা ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। আজ সকালে তাদের রাঙ্গামাটিতে আনা হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আহসানুজ্জামান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোররাতে তাদের দুইজনকে চট্টগ্রাম ইপিজেড ও একজনকে বায়েজিদ এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন যুব ফোরাম ও পিসিপির নেতাকর্মী। আটককৃতদের আদালতে হাজির করা হবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে রাঙামাটির নানিয়ারচরে উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন (৪ মে) তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ব্রাশফায়ারে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের প্রধান তপন জ্যোতি চাকমাসহ আরো ৫ জন নিহত হন। এ ঘটনায় ইউপিডিএফ সভাপতি প্রসিত খীসা ও সাধারণ সম্পাদক রবি শংকর চাকমাসহ ১১৮ নামে নানিয়ারচর থানার পৃথক দু’টি অভিযোগ করা হয়। এই হত্যার ঘটনায় আর আগে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির এক নেতাসহ দুইজনকে আটক করেছিলো পুলিশ। এনিয়ে এই ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হলো।
আটক ঘটনায় দুই সংগঠনের বিবৃতি
মঙ্গলবার ভোররাতে ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মীকে আটকের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি দু’টি। মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি অংগ্য মারমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিনয়ন চাকমা এ প্রতিবাদ জানায়।
বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেন, ‘গতকাল রাতে ডিবি পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক সুকৃতি চাকমা, বন্দর থানা শাখার সভাপতি ক্লান্তময় চাকমা ও পিসিপি’র চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদককে অন্যায়ভাবে আটক করে নিয়ে যায়। ’
তারা অবিলম্বে আটককৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি, পার্বত্য চট্টগ্রামে যৌথঅভিযানের নামে সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অন্যায় আটক-নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়েছে।

৩ Comments
লস কারোর না জুম্মোদের !
এখানে কি বাদা আছে ।****
আরো অভিযান করে চাদাঁবাজ দের ধরা দরকার।