খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়িতে সেতু-এমএলই প্রকল্পের দ্বিতীয় শেণির জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার বিকেলে খাগড়াছড়ি জাবারাং কল্যাণ সমিতি রিসোর্স সেন্টারে এ সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী অপু।
সমাপনী অনুষ্ঠানে অপু বলেন, বাংলা ভাষা আজ আন্তজার্তিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমরা ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। তারই আলোকে দেশে যেন সকল ভাষা বেঁচে থাকে, কোন ভাষা যাতে হারিয়ে না যায় সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের পাঁচটি ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা চালু করেছেন।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর রিন্টু কুমার চাকমা, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মঞ্জুর মোর্শেদ, চাকমা ভাষার প্রশিক্ষক প্রসন্ন কুমার চাকমা, ককবরক ভাষার প্রশিক্ষক জগদীশ রোয়াজা, মারমা ভাষার প্রশিক্ষক ক্যহ্লচাই চৌধুরীসহ প্রশিক্ষনার্থীরা।
২১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর (রোববার) পর্যন্ত খাগড়াছড়ি সদর, মহালছড়ি ও পানছড়ির ৩৫টি বিদ্যালয়ের ৩৫ জন শিক্ষককে নিজ নিজ মাতৃভাষার প্রশিক্ষণ দেয় জাবারাং কল্যাণ সমিতি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশের ন্যায় খাগড়াছড়িতেও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চাকমা, মারমা ও ককবরক (ত্রিপুরা) ভাষায় মাতৃভাষায় পাঠদান চালু হয় ২০১৭ সাল থেকে। তবে এই ভাষা ২০১৭ সাল থেকে চালু হলেও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবে কিছুটা থেমে থাকলে ও বিভিন্ন সময় সরকারি-বেসরকারিভাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও ইউকেএইড এর অর্থায়নে খাগড়াছড়ির স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) জাবারাং কল্যাণ সমিতির পরিচালনায় ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
