খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়িতে যুবদল ও যুবলীগ পাল্টপাল্টি কর্মসুচি পালন করেছে। কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সতর্ক অবস্থায় ছিলো পুলিশ। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে যুবলীগের বিভিন্ন স্থানে হামলায় ২৫ নেতাকর্মী আহতের অভিযোগ করেছে যুবদলের নেতৃবৃন্দ।
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শহরের কলাবাগান এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করতে জড়ো হোন যুবদলের নেতাকর্মীরা।অপরদিকে, বিএনপি-জামাতের দেশ বিরোধী যড়যন্ত্র, নৈরাজ্য ও অপতৎপরতা বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করতে শহরের নারিকেল বাগান সড়কস্থ জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে উপস্থিত হোন যুবলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলমসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি পৌর টাউন হল ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে ফিরে এসে সমাবেশ করে।
সমাবেশ থেকে বিএনপি-জামাতের কঠোর সমালোচনা করে তাদের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেয়ার আহবান জানান বক্তারা।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১২টায় শহরের কলাবাগান এলাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি কর্মসংস্থান বিষয়ক সহ সম্পাদক ওয়াদুদ ভূঁইয়া। এ সময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, যুবলীগের কর্মসূচি ও বিভিন্ন স্থানে তাদের হামলায় যুবদলের ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। লুটপাটকারী, দুর্নীতিবাজ সরকার ও তাদের সমর্থকদের হুঁশিয়ার করে বলেন, হামলা মামলা করে বিএনপিকে দমানো যাবে না। মারধর অনেক করেছেন এবার রাজপথে প্রতিরোধের পাশাপাশি পাল্টা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানান তারা।
পুলিশ জানায়, উভয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশি সতর্কবস্থায় ও হস্তক্ষেপে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। যুবদল ও যুবলীগ পৃথক স্থানে তাদের কর্মসূচি শেষ করেছে। তবে হামলা বা আহতের বিষয়ে কোন অভিযোগ পাননি বলে জানিয়েছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ রশীদ।
