নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
‘জাতিসত্তা যার যার, বাংলাদেশ সবার’ এই শ্লোগানে কায়াকিং জনপ্রিয় করতে এবং পাহাড়ের পর্যটন শিল্প তুলে ধরার উদ্দেশে এবং সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মেলবন্ধন আরো দৃঢ় করতে ১১০ কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দিয়েছে চার যুবক। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুর্গম মারিশ্যা থেকে শুরু করে চার দিনে ৩২ ঘন্টায় টোটাল ১১০ কিলোমিটার কায়কিং শেষে তারা ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসে দুপুর ২টা ২২ মিনিটে পৌঁছে রাঙামাটি জেলার সর্ব দক্ষিণের উপজেলা বিলাইছড়ি উপজেলা ঘাটে।
কায়াকিংয়ে অংশ নেয়া চার যুবক হচ্ছে কুমিল্লা নিবাসী আরিফুর রহমান উজ্জ্বল, যশোর নিবাসী নাজমুস সাকিব, কুমিল্লা নিবাসী আনজামুল হক আকাশ ও ঢাকা নিবাসী আব্দুল করিম পারভেজ। এরা ব্যক্তিগতভাবে ট্যুরিজম, হাইকিং, এডভেঞ্চার, সাইক্লিং, কায়াকিং ও ক্যাম্পিংয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করে চলেছেন বহুদিন থেকে।
দীর্ঘ জলরাশি পাড়ি দিয়ে তারা বলেন, প্রতিটি দিনই বিভিন্ন প্রতিকূলতা এবং অনিশ্চয়তায় ভরা। শারীরিক অবস্থা, প্রচন্ড মানসিক চাপ, পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। পুরো ভ্রমণে পার্বত্য অঞ্চলের সবচেয়ে স্পর্শকাতর জায়গাগুলো দিয়ে কায়াক চালানো হয়েছে, উপভোগ করেছি কাপ্তাই হ্রদের বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য, স্থানীয় সংস্কৃতি।
চার জন অংশগ্রহণকারীর দৃঢ় মনোভাব ধরে রাখতে এবং সার্বক্ষণিক উৎসাহ ও সহযোগিতা করার জন্য ৭ জন ভলান্টিয়ার সার্বক্ষণিক রেস্কিউ বোট নিয়ে এই বিশাল জলরাশি পাড়ি দিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তারা তাদের সহযোগিতা করেন।
